ঐতিহাসিক শান্তিতে দেশজুড়ে দুর্গোৎসব উদযাপন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ বার
ঐতিহাসিক শান্তিতে দেশজুড়ে দুর্গোৎসব উদযাপন

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করে সারা দেশে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। জাতীয় জীবনের এই বিশেষ মাহেন্দ্রক্ষণে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার দুর্গোৎসব উদযাপনে দেখা গেছে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সতর্কতা। ফলে দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপেই ভক্ত ও দর্শনার্থীরা কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া অত্যন্ত আনন্দচিত্তে দুর্গাপূজার নানাবিধ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও আনন্দ উৎসবে অংশ নিতে পেরেছেন। সম্প্রীতির এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকে দেশের অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও স্মরণীয় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও সামাজিক কেন্দ্র বগুড়ার অভিজাত হোটেল মম-ইনের অডিটরিয়ামে এক বিশেষ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ আয়োজিত ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই উন্মুক্ত আলোচনা সভায় দেশের সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করা হয়। উক্ত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি তাঁর বক্তব্যে সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিতে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন এবং এর পেছনের প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রচেষ্টার বিশদ বিবরণ দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন যে, স্বাধীন বাংলাদেশের সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সম্পূর্ণ অঘটনহীন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মুক্ত পরিবেশে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের সাথে উল্লেখ করেন যে, এ বছর সারা দেশের মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আড়ম্বরপূর্ণভাবে উৎসবের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা উদযাপিত হয়েছে। দেশের কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা অনভিপ্রেত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, যা বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য ও শান্তিকামী ভাবমূর্তিকে বিশ্বদরবারে আরও সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতার ফলেই এমন ঐতিহাসিক ও দৃষ্টান্তমূলক সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আন্তরিকতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মীর শাহে আলম আরও একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী পূজার সময়ে ঢাকার বাইরে প্রান্তিক ও দূরবর্তী অঞ্চলে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় করেননি। কিন্তু এবার দেশের ইতিহাসের ধারা পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং ঢাকার সীমানা পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলে ছুটে গেছেন। তিনি উত্তরাঞ্চলের রংপুর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রামের মতো তিনটি ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় পুণ্যার্থীদের সাথে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। সরকারের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের এই অভূতপূর্ব পদক্ষেপ দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনে বিপুল আস্থা ও নিরাপত্তার সঞ্চার করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরণের উদ্যোগ কেবল একটি সামাজিক অনুষ্ঠান পরিদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি জাতীয় সংহতি ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য বার্তা বহন করে। দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন, সরকার তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই আন্তরিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক তৎপরতার কারণে সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছিল আনন্দঘন পরিবেশ, যা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তুলেছে।

বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময়সভায় উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলের কৃষিনির্ভর অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার নানা যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বগুড়ার সার্বিক রূপান্তর হলে তা পুরো উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার গতি আরও দ্রুততর হবে বলে আলোচকগণ একমত পোষণ করেন।

সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামাজিক প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার অভিজাত হোটেল মম-ইনের সুবিশাল অডিটরিয়ামে এক বিশেষ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় ও বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ কর্তৃক আয়োজিত ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই বিশেষ খোলামেলা আলোচনা সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার নানা দিক নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা হয়। উক্ত সুধী ও মতবিনিময়সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি তাঁর বক্তব্যে সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও অঘটনহীনভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন এবং এই সাফল্যের নেপথ্যে থাকা প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও সার্বজনীন সামাজিক সহযোগিতার নানাবিধ বিবরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের পথচলার ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো প্রকার ছোট-বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই সারা দেশে এক অভূতপূর্ব শান্তিময় পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়েছে। তিনি পরিসংখ্যান উল্লেখ করে অত্যন্ত গর্বের সাথে জানান যে, এ বছর সমগ্র বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, নিয়মভিত্তিক ও জাকজমকপূর্ণভাবে উৎসবের প্রতিটি পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ মণ্ডপে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ও স্থানীয় জনগণের সচেতন পাহারা ছিল লক্ষণীয়। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা, উস্কানি কিংবা অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অভূতপূর্ব সফলতা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা অত্যন্ত গভীর ও শক্তিশালী। এই শৃঙ্খলা ও শান্তি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।

সরকারের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পেছনের অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মীর শাহে আলম একটি ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ দেন। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে অতীতে কখনো কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী পূজার উৎসবকালে রাজধানীর সীমানা পেরিয়ে মফস্বল বা দূরবর্তী প্রান্তিক অঞ্চলে গিয়ে সরাসরি সাধারণ পুণ্যার্থীদের সাথে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেননি। কিন্তু এবার সেই বহু বছরের প্রথা ও ধারণাকে ভেঙে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলে ছুটে গেছেন। তিনি ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের তিনটি ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে—উত্তরাঞ্চলের রংপুর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপগুলোতে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে তিনি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। সরকারের সর্বোচ্চ ব্যক্তির এই ঝটিকা সফর ও সরাসরি উপস্থিতি সারা দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে এক অপরিসীম নিরাপত্তা, গভীর শ্রদ্ধা ও জোরালো আস্থার সঞ্চার করেছে।

মীর শাহে আলম তাঁর বক্তব্যে আরও যুক্ত করেন যে, এই জাতীয় উদ্যোগ কেবল একটি ধর্মীয় আচার বা উৎসব পরিদর্শনের গতানুগতিক বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার সুদৃঢ় প্রত্যয়েরই একটি প্রামাণ্য দলিল। রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং নিজ নিজ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎসব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের এই সুনির্দিষ্ট নীতি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কারণেই দেশের প্রতিটি কোণে উৎসবের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ঢল নেমেছিল। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্রই মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা গেছে সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলা, যা মূলত ঐতিহ্যবাহী অসাম্প্রদায়িক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বাংলাদেশের প্রকৃত ছবিকেই প্রতিফলিত করে।

বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এই সমৃদ্ধ মতবিনিময়সভায় দুর্গোৎসবের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কৃষিনির্ভর শিল্পের বিকাশ, যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়। বগুড়াকে সমগ্র উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও প্রধান অর্থনৈতিক হাব হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এই অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে সরকার ব্যাপকভিত্তিক মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পূর্বশর্ত। সমাজে যখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শান্তি বিরাজ করে, তখন উন্নয়নের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই দুর্গোৎসবের মতো এত বড় একটি ধর্মীয় আয়োজন যেভাবে সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে, ঠিক একইভাবে সব সামাজিক শক্তিকে এক ছাতার নিচে এনে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানানো হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকগণ উপস্থিত থেকে তাদের মতামত প্রদান করেন। সভায় উপস্থিত সকলে একযোগে মত প্রকাশ করেন যে, সম্প্রীতির এই বজায় রাখা ধারা কেবল ধর্মীয় উৎসবের মধ্যেই সীমিত না রেখে জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বজায় রাখতে হবে। শান্তি, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমেই একটি আধুনিক, উন্নত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সার্বিকভাবে এ বছরের দুর্গোৎসবের ঐতিহাসিক সাফল্য দেশের প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনগণের দায়িত্বশীল আচরণের এক অনন্য স্মারক হয়ে থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com