সর্বশেষ :
কক্সবাজারে ৪ পর্যটকের সাগরে প্রানহানি, এখনও নিখোঁজ ১ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ: উন্নত চিকিৎসায় বিএমইউতে স্থানান্তর রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার দখল কেন্দ্রিক কোন্দলে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ‘ইশরাক পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে’: নিলোফার চৌধুরী খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী ‘ক্ষমতাহীন নাগরিকই শাসকদলের চাঁদাবাজির শিকার’: হাসনাত আবদুল্লাহ সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা: নিহত ১, আহত ৮ গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নভেম্বরের শুরুতে স্কুল-কলেজে মিলতে পারে টানা ৩ দিনের ছুটি

ডাকসুর বামপন্থিদের আসল শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পিনাকী

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬৬ বার
ডাকসুর বামপন্থিদের আসল শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পিনাকী

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ‘২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বামপন্থি প্রার্থীদের আসল শক্তি ও জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পিনাকী ভট্টাচার্য। বুধবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি নির্বাচনী ফলাফল ও বামপন্থিদের ভোটসংখ্যা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন।

পিনাকী ভট্টাচার্য লেখেন, প্রতিরোধ পর্ষদের প্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি মাত্র ৮০ ভোট পেয়েছেন, যা ১০০ ভোটের নিচে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এটি কি বামপন্থিদের আসল শক্তি, নাকি প্যানেলের মধ্যে ভোট বন্টনের কারণে এমন ফলাফল এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, মেঘমাল্লার প্রার্থী প্রায় পাঁচ হাজার ভোট পেয়েছেন। যদি এই ভোট বামপন্থিদের আদর্শিক বা রিজার্ভ ভোট হিসেবে ধরা হয়, তাহলে কেন ভিপি পদে তার প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব পরেনি? অন্যদিকে, যদি মেঘমাল্লার ভোট শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে আসে, তাহলে এটাকে কিভাবে বামপন্থার প্রতি সমর্থন হিসেবে গণ্য করা যাবে?

পিনাকীর বিশ্লেষণটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এই মন্তব্যকে বামপন্থি দলের আসল ভোট ব্যালেন্স ও তাদের রাজনৈতিক শক্তি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডাকসু নির্বাচনে এই ধরনের বিশ্লেষণ শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে এবং প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা ও আদর্শিক শক্তি যাচাই করার একটি মানদণ্ড হিসেবে কাজ করতে পারে।

পিনাকীর বিশ্লেষণ থেকে উদ্ভূত প্রশ্নগুলো মূলত এই বিষয়কে কেন্দ্র করে: ভোটাররা আদর্শিক কারণে ভোট দিচ্ছেন, না ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে? বামপন্থি প্রার্থীদের শক্তি কতটুকু, আর কতটা তাদের নির্বাচনী প্রভাব প্রকৃতপক্ষে প্রশাসন বা প্যানেল সমর্থনের কারণে প্রভাবিত হচ্ছে? এই প্রশ্নগুলো আগামী দিনে রাজনৈতিক গবেষণা ও শিক্ষার্থী রাজনীতির বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডাকসু নির্বাচন চলাকালে শিক্ষার্থী সমাজের মধ্যে এই ধরনের বিশ্লেষণ আরও স্বচ্ছতা ও বিতর্কমূলক সমালোচনার সুযোগ তৈরি করছে। ফলে ভোটসংখ্যা ও রাজনৈতিক সমর্থনের প্রকৃত অবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com