সর্বশেষ :
কক্সবাজারে ৪ পর্যটকের সাগরে প্রানহানি, এখনও নিখোঁজ ১ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ: উন্নত চিকিৎসায় বিএমইউতে স্থানান্তর রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার দখল কেন্দ্রিক কোন্দলে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ‘ইশরাক পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে’: নিলোফার চৌধুরী খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে আইনি পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য চান তথ্যমন্ত্রী ‘ক্ষমতাহীন নাগরিকই শাসকদলের চাঁদাবাজির শিকার’: হাসনাত আবদুল্লাহ সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা: নিহত ১, আহত ৮ গাজীপুরে গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুন: পুড়ল মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নভেম্বরের শুরুতে স্কুল-কলেজে মিলতে পারে টানা ৩ দিনের ছুটি

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের প্রস্তাব জামায়াতের

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭৬ বার
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের প্রস্তাব জামায়াতের

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ জারির প্রস্তাব করেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকের বিরতিতে দলটির নেতারা এ প্রস্তাবের কথা জানান। তারা দাবি করেন, জনগণের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে এবং সাংবিধানিক সঙ্কট নিরসনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য পাঁচটি বিকল্প প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াত একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশকে মূল হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাহের আশা প্রকাশ করেন যে আলোচনার মাধ্যমে সবার মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করা যাবে। তার মতে, এই সনদের ভিত্তিতেই আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা উচিত।

দলটির আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় নেতা শিশির মনির আরও স্পষ্ট করে বলেন, ঐক্যমত্য কমিশনের আলোচনায় যে বিষয়গুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হিসেবে উঠে এসেছে, সেগুলোকে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ জারির মাধ্যমে সংবিধানের ওপরে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে সংবিধানের যেসব ধারা সাংঘর্ষিক নয়, সেগুলো বহাল থাকবে। তার দাবি, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার যে চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব বহন করে। সুতরাং জনগণের সেই ইচ্ছাকে কার্যকর করার জন্য বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ ছাড়া বিকল্প নেই।

সাক্ষরতার প্রকৃত চিত্র নিয়ে নতুন করে বিতর্ক

শিশির মনির মনে করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫৩ অনুযায়ী কার্যকর থাকা ৫৭টি ধারা ইতোমধ্যে অকার্যকর হয়ে গেছে। তাই নতুন সাংবিধানিক আদেশ জারি ছাড়া সমাধান নেই। তিনি প্রস্তাব করেন, ৫ আগস্ট থেকে বিশেষ সাংবিধানিক আইন কার্যকর দেখিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. তাহের বলেন, যদি বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের প্রস্তাব গ্রহণ না করা হয়, তবে বিকল্প হিসেবে গণভোট আয়োজন করা যেতে পারে। তার ভাষায়, জনগণের মতামতই চূড়ান্ত নির্ধারক, আর সেটিকে প্রতিষ্ঠা করার জন্যই কমিশনের আলোচনার পুরো প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এই আলোচনা বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের প্রস্তাব কতটা গ্রহণযোগ্য হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com