সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

সিডনিতে মুষলধারে বৃষ্টিতেও হাজারো মানুষের পদযাত্রা, ফিলিস্তিনের জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ

একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৮ বার

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৫ | নিজস্ব সংবাদদাতা | একটি বাংলাদেশ অনলাইন

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে গত রোববার ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে একটি নজিরবিহীন জনস্রোত গড়ে উঠলো, যেখানে হাজার হাজার মানুষ ‘মার্চ ফর হিউম্যানিটি’ শীর্ষক বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর দাবি জানায়। মুষলধারে বৃষ্টির মাঝেও সিডনি হারবার ব্রিজ পেরিয়ে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের প্রতিবাদ ও সহানুভূতির বার্তা পৌঁছে দেন।

বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার কষ্টের প্রতীক হিসেবে খালি হাঁড়ি ও পাতিল এবং বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড, যা গাজার অবস্থার করুণ বাস্তবতা তুলে ধরেছিল। সমাবেশে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের উপস্থিতিও ছিল বলে আয়োজক সূত্র নিশ্চিত করেছে, যা এই বিক্ষোভের গুরুত্ব ও প্রভাবকে বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে।

নিউ সাউথ ওয়েলস কর্তৃপক্ষ শুরুতে নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগের আশঙ্কায় এই জনসমাবেশ বন্ধ করার চেষ্টা করলেও রাজ্যের সুপ্রিম কোর্টের এক আদেশের ফলে মিছিল নির্ধারিত পথে সম্পন্ন হয়। এই অবস্থায় পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এবং বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ থাকার আহ্বান জানানো হয়। একই দিনে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরেও ফিলিস্তিনের পক্ষে একটি পৃথক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জনমত গঠনের স্বাক্ষর বহন করে।

অন্যদিকে, একই দিন জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইটামার বেন-গাভি কঠোর ভাষায় ঘোষণা করেন যে গাজায় ইসরায়েলের পূর্ণ সার্বভৌম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘর্ষের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রতিফলন বহন করে।

এই আন্দোলন আন্তর্জাতিক মহলে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন ও মানবিক সাহায্যের দাবি আরও জোরদার করেছে। সিডনি মিছিলটি স্থানীয় ও বৈশ্বিক স্তরে ফিলিস্তিন বিরোধী ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং শান্তির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত