বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ বার
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার
প্রকাশ:  ১১ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের গতিধারাকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছে। দেশে বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ অনুকূল ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে এ দেশে মূলধন খাটাতে পারেন, সেজন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে তাঁর সরকার সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। দেশের বিনিয়োগ খাতের স্থবিরতা দূর করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের অংশ হিসেবে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ বা অ্যামচেমের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই সুনির্দিষ্ট নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে দেশের কর্পোরেট ও বাণিজ্য মহলে এক নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির গণমাধ্যমকে এই সাক্ষাতের বিস্তারিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি জানান যে, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ বা অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে এই আট সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন সংগঠনটির সম্মানিত সভাপতি এবং বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। সাক্ষাৎকালে অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, প্রায় দুই মাস পূর্বে সংগঠনটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই নতুন কমিটি গঠনের পর থেকেই তাঁরা বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও অধিক পরিমাণে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার পাশাপাশি দুই বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই ধরনের ইতিবাচক বৈঠক দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও গঠনমূলক পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।
উভয়পক্ষের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দেশের বাণিজ্য খাতের নীতিনির্ধারক ও শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এই সৌজন্য সাক্ষাতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যেকোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্ত রাখতে এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে দ্রুত সেবা প্রদান করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা এবং নীতিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কীভাবে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আস্থার জায়গাটি আরও সুদৃঢ় করা যায়, তা নিয়েও বৈঠকে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলো যখন বৈশ্বিক মন্দা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি, তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ধরনের উদার ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করা অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি সিদ্ধান্ত। অ্যামচেমের প্রতিনিধিদল সরকারের এই আন্তরিক ও বিনিয়োগবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাত যেমন তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদনশিল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সেবা খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়লে তা দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও দূরদর্শী ঘোষণা কেবল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক বার্তাই দেয়নি, বরং বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব ভাবমূর্তিকে বিশ্বমঞ্চে আরও বেশি উজ্জ্বল ও শক্তিশালী করে তুলেছে।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির গণমাধ্যমকে এই সাক্ষাতের বিস্তারিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছেন। তিনি জানান যে, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ বা অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে এই আট সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন সংগঠনটির সম্মানিত সভাপতি এবং বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। সাক্ষাৎকালে অ্যামচেম প্রতিনিধিরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, প্রায় দুই মাস পূর্বে সংগঠনটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই নতুন কমিটি গঠনের পর থেকেই তাঁরা বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও অধিক পরিমাণে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার পাশাপাশি দুই বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক, আস্থার পরিবেশ এবং অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই ধরনের সরাসরি ও ইতিবাচক বৈঠক দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও গঠনমূলক পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

উভয়পক্ষের এই গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায় বৈঠকে দেশের বাণিজ্য খাতের নীতিনির্ধারক ও শীর্ষস্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এই সৌজন্য সাক্ষাতে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যেকোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা বা জটিলতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখতে এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সব ধরনের সেবা প্রদান করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা এবং নীতিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কীভাবে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আস্থার জায়গাটি আরও পাকাপোক্ত করা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও বিশদ আলোচনা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলো যখন বর্তমান বৈশ্বিক মন্দা, মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি, ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ধরনের উদার, উন্মুক্ত ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং সাহসী একটি সিদ্ধান্ত। অ্যামচেমের প্রতিনিধিদল সরকারের এই আন্তরিক ও বিনিয়োগবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাত যেমন তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার শিল্প, আধুনিক উৎপাদনশিল্প, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বহুমুখী সেবা খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়লে তা দেশের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অনন্য ভূমিকা রাখবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও দূরদর্শী ঘোষণা কেবল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তাই দেয়নি, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব ভাবমূর্তিকে আরও বেশি উজ্জ্বল, গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত