প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, দেশের জ্বালানি খাতের সার্বিক স্থিতিশীলতা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেসরকারি উদ্যোগে তেল আমদানিতে তাদের কোনো ধরনের আপত্তি বা ভিন্নমত নেই। তবে একই সঙ্গে বাজারের শৃঙ্খলা ও ভারসাম্যতা বজায় রাখার স্বার্থে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান যেমন পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা অয়েল কোম্পানিকে আলাদাভাবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তেল আমদানির সুযোগ দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মূলত দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ জুড়ে এই তিন প্রতিষ্ঠানের তেল আমদানি, সংরক্ষণ ও বিপণনের বিশাল অবকাঠামো ও নেটওয়ার্ক বিদ্যমান থাকায় তাদের বাদ দিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এই সুনির্দিষ্ট মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা ও আমদানিকারকদেরও দেশে জ্বালানি তেল বাজারজাতকরণের উন্মুক্ত সুযোগ প্রদান করা সময়ের দাবি। এর ফলে জ্বালানি বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে উঠবে এবং যেকোনো অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে তেলের আমদানিতে অর্থসংকট কিংবা সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ার মতো ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত আমদানি ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের জ্বালানি বাজারে একটি টেকসই, সুষম ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করবে বলে তিনি জোরালো আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমান সময়ে দেশের অর্থনৈতিক নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান যে, কোনো কারণে সরকারের পক্ষে যদি এককভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি তেল আমদানি করা কঠিন বা দীর্ঘায়িত হয়, তবে দেশের সাধারণ পেট্রল পাম্প মালিকরা নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই এগিয়ে আসতে প্রস্তুত রয়েছেন। তারা রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিকে অগ্রিম অর্থ প্রদানের মাধ্যমে এই সংকট মোকাবেলায় সার্বিক সহযোগিতা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন। শুধু তাই নয়, দেশের ভেতরে ও বাইরে অবস্থিত অনেক স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকও এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে সহজ শর্তে অর্থায়ন করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফলে পর্যাপ্ত তহবিল ও অর্থের সংস্থান নিয়ে তেমন কোনো বড় জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির শীর্ষ এই নেতা আরও জানান যে, সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের আমদানিসম্পৃক্ততা বাড়ানো হলে জ্বালানি খাতের একচেটিয়া কার্যক্রম হ্রাস পাবে এবং সামগ্রিক সেবা ও মান আরও উন্নত হবে। সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতের আমদানিস্রোত সমন্বয় করার মাধ্যমেই কেবল তেলের বাজারে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব। সরকার যদি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানো অনেক সহজতর হবে বলে তিনি মনে করেন। দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের নির্বিঘ্ন সরবরাহ বজায় রাখতে এই প্রস্তাবটি আগামী দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতে একটি বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
দেশের জ্বালানি খাতের সার্বিক স্থিতিশীলতা, সুষম পরিবেশ এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখার স্বার্থে বেসরকারি উদ্যোগে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে কোনো ধরনের আপত্তি বা বাধা নেই বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল ল্যাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা ও আমদানিকারকদের দেশে জ্বালানি তেল আমদানির ও বাজারজাতকরণের সুযোগ প্রদান করা অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। এর ফলে জ্বালানি বাজারে দীর্ঘদিনের একচেটিয়া ধারা ভেঙে একটি স্বাস্থ্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে উঠবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে একই সঙ্গে বাজারের শৃঙ্খলা ও ভারসাম্যতা রক্ষার্থে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত বার্তায় বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এই অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বেসরকারি খাতের আমদানিসম্পৃক্ততা বাড়ানো হলে কোনো বিশেষ কারণে যদি সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানিতে অর্থসংকট কিংবা কোনো ধরনের লজিস্টিক বা সরবরাহ চেইন সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়, তবে সেই ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে। তবে তিনি এই কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ জুড়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যেমন পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা অয়েল কোম্পানির বিশাল অবকাঠামো, তেল সংরক্ষণাগার ও বিপণন নেটওয়ার্ক বিদ্যমান রয়েছে। তাই জ্বালানি খাতের সামগ্রিক স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই তিন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তেল আমদানির নিরবচ্ছিন্ন সুযোগ প্রদান করা আবশ্যক। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের আমদানিস্রোত ও ব্যবস্থাপনার সুষম সমন্বয়ের মাধ্যমেই কেবল দেশের জ্বালানি বাজারে একটি টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব।

বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের ভেতরের আর্থিক নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান যে, কোনো কারণে সরকারের পক্ষে যদি এককভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি তেল আমদানি করা কঠিন বা দীর্ঘায়িত হয়, তবে দেশের সাধারণ পেট্রল পাম্প মালিকরা নিজেদের ব্যবসায়ের স্বার্থেই এই সংকট মোকাবেলায় পাশে দাঁড়াতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন। তারা রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিকে অগ্রিম আর্থিক সহযোগিতা বা অর্থ প্রদানের মাধ্যমে সার্বিকভাবে সহায়তা করতে প্রস্তুত আছেন। শুধু তাই নয়, দেশের ভেতরে ও বাইরে অবস্থিত অনেক স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বর্তমানে এই রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিগুলোকে জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে সহজ শর্তে এবং দ্রুততার সঙ্গে অর্থায়ন করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফলে পর্যাপ্ত তহবিল ও অর্থের সংস্থান নিয়ে তেমন কোনো বড় জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে।