ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় চাপে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার
ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় চাপে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক চাপের পাশাপাশি এবার অর্থনৈতিক যুদ্ধকে আরও তীব্র করার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন উদ্যোগ ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর মাধ্যমে তেহরানের বৈদেশিক আয়ের উৎস, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক লেনদেনকে আরও কঠোরভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের এই কৌশল যতটা ইরানকে চাপে ফেলছে, ততটাই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলো।

কারণ, ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও। উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো, তেলবাহী জাহাজ ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক বজায় রাখা এবং একই সময়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে চলা—দুইয়ের মধ্যে কঠিন ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে সৌদি আরব, কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোকে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত প্রায় ছয় মাসে পৌঁছানোর পর ওয়াশিংটনের কৌশলে এই পরিবর্তন বিশেষভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। সামরিক চাপের পাশাপাশি এখন তেহরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করে তাকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট ২৪ আগস্ট নতুন নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচি ঘোষণা করে জানান, ইরানের অর্থনৈতিক লাইফলাইনগুলো বিচ্ছিন্ন করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

নতুন অভিযানে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া বিদেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, জাহাজ ও মধ্যস্থতাকারীদেরও লক্ষ্য করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৬০টি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজকে আনা হয়েছে। ইরানের তেল বিক্রি, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সংগ্রহ, সাইবার কার্যক্রম এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ওয়াশিংটনের বার্তা পরিষ্কার—ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশ ও প্রতিষ্ঠানকেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন খাতকে নতুন নিষেধাজ্ঞার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর জন্য ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

তবে এই অর্থনৈতিক চাপের সবচেয়ে জটিল প্রভাব পড়ছে ইরানের প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর। এসব দেশের সঙ্গে ইরানের ভৌগোলিক নৈকট্য, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং জ্বালানি অবকাঠামোর পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশে বিপুল মার্কিন সামরিক উপস্থিতিও রয়েছে। ফলে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই সমুদ্রপথ দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে যায়। চলমান সংঘাতের কারণে সেখানে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য নয়, বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তার ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বাড়ানো হলে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জ্বালানি পরিবহনের ওপর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতার নিচে থাকতে হচ্ছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করতে হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির জন্য এটি বড় সিদ্ধান্ত হলেও এর পেছনে নিরাপত্তা বাস্তবতা গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক মাসের সংঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থাপনা ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আবুধাবির প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্কও ঘনিষ্ঠ।

তবে সৌদি আরবের অবস্থান তুলনামূলকভাবে সতর্ক। রিয়াদ ইরানকে দুর্বল দেখতে চাইতে পারে, কিন্তু ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে পুরো অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠুক—এমন পরিস্থিতি সৌদি নেতৃত্বের জন্যও কাঙ্ক্ষিত নয়। বিশেষ করে ইরান বা ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি আরব সরাসরি মার্কিন অর্থনৈতিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিতে পারে।

সৌদি আরবের অবস্থান বোঝার জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর কূটনৈতিক পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়। এরপর দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ে এবং সরাসরি সংঘাত এড়ানোর একটি নতুন কূটনৈতিক কাঠামো তৈরি হয়। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া কৌশলগতভাবে সহজ সিদ্ধান্ত নয়।

কাতারের পরিস্থিতিও আলাদা। দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক। হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা কাতারের জ্বালানি রপ্তানির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বিকল্প সমুদ্রপথ সব ধরনের জ্বালানি পরিবহনের জন্য সমানভাবে কার্যকর নয়। ফলে হরমুজ যত বেশি সময় অস্থিতিশীল থাকবে, কাতারের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তাও তত বাড়বে।

ইরানের সঙ্গে কাতারের সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো গ্যাসসম্পদ। দুই দেশ বিশাল একটি গ্যাসক্ষেত্র ভাগ করে নেয়। কাতারের জন্য এই বাস্তবতা তেহরানের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ফলে ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপের নীতিতে পুরোপুরি যুক্ত হওয়ার আগে দোহাকে নিজের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ও নিরাপত্তা স্বার্থ বিবেচনা করতে হচ্ছে।

ওমানের অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে কূটনীতিকেন্দ্রিক। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে দেশটি। বর্তমান সংকটেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ওমান। এর লক্ষ্য হচ্ছে সমুদ্রপথে নিরাপদ চলাচল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি কার্যকর সমঝোতার পথ তৈরি করা।

এ অবস্থায় ওমানের জন্য ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার মার্কিন উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়া কূটনৈতিকভাবে জটিল হতে পারে। কারণ, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের একটি পথ খোলা রাখার সক্ষমতা ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নতুন পর্যায়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা অবশ্য মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলোকে ঘিরে। ইরানের সঙ্গে চীনসহ কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। চীন ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। ফলে বেইজিং কতটা মার্কিন চাপ মেনে তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমাবে, সেটিই ওয়াশিংটনের জন্য বড় প্রশ্ন।

রাশিয়া ও ভারতের মতো দেশগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হলে শুধু কয়েকটি ব্যাংক বা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেই হবে না; তেহরানের বিকল্প বাণিজ্যিক পথগুলোও সীমিত করতে হবে। কিন্তু এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। ফলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে নতুন আন্তর্জাতিক টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ইরানের জন্যও পরিস্থিতি সহজ নয়। নতুন নিষেধাজ্ঞা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়, তেল বিক্রি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও চাপে ফেলতে পারে। অর্থনৈতিক চাপ বাড়লে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপরও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজারে মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ব্যয় বাড়লে সংকট আরও গভীর হতে পারে।

তবে অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা সবসময় রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয় না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক চাপ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রকে আরও কঠোর অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। ইরানের ক্ষেত্রেও একই ঝুঁকি রয়েছে। তেহরান যদি মনে করে অর্থনৈতিকভাবে আত্মসমর্পণের চেয়ে পাল্টা চাপ সৃষ্টি করা বেশি কার্যকর, তাহলে সামরিক ও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।

এই কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশল মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের জন্য একই সঙ্গে সুযোগ ও ঝুঁকি তৈরি করেছে। একদিকে ইরানের অর্থনৈতিক শক্তি কমে গেলে তাদের নিরাপত্তাগত উদ্বেগ কিছুটা কমতে পারে। অন্যদিকে ইরান যদি পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক ঘাঁটি, তেল স্থাপনা বা সমুদ্রপথকে লক্ষ্য করে, তাহলে তার সরাসরি মূল্য দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকেই।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তাই নিষেধাজ্ঞা কতটা কঠোর হবে, তা নয়; বরং এর পরিণতিতে ইরান কোন পথ বেছে নেবে। যদি তেহরান আলোচনায় ফিরতে রাজি হয়, তাহলে অর্থনৈতিক চাপকে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কিন্তু যদি নিষেধাজ্ঞাকে অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে ইরান পাল্টা সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল নতুন করে অস্থিতিশীলতার মুখে পড়তে পারে।

এই বাস্তবতায় সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো দেশগুলোর জন্য কূটনীতি সম্ভবত সবচেয়ে নিরাপদ পথ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক বজায় রেখেও ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের দরজা খোলা রাখা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার এই দীর্ঘ ছায়ায় শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শুধু রাষ্ট্রীয় স্বার্থ নয়, সাধারণ মানুষের জীবন, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত