সম্পত্তির বিরোধে বোনের বিরুদ্ধে ভাইয়ের সহিংসতার অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭ বার
সম্পত্তির বিরোধে বোনের বিরুদ্ধে ভাইয়ের সহিংসতার অভিযোগ

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

মা-বাবা নেই। আপন বলতে একমাত্র ভাই। অথচ সেই ভাইয়ের বিরুদ্ধেই ভয়ভীতি, হুমকি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হয়েছে ঢাকার ৪৪ বছর বয়সী এক নারীকে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তরার একটি ফ্ল্যাট এবং মা-বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে তাঁর অধিকার। তবে ওই নারীর ভাষ্য, বিষয়টি কেবল একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে বিরোধ নয়; বরং আপনজনের কাছেও একজন নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা কতটা অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে, সেটিই তাঁর লড়াইয়ের মূল বিষয়।

ওই নারী একজন উদ্যোক্তা এবং সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা রাষ্ট্র মালিকানাধীন একটি ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন এবং মা ছিলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। বাবা মারা যান ২০০০ সালে, আর মা মারা যান ২০১৯ সালে। তাঁদের দুই সন্তান—এক ছেলে ও এক মেয়ে। দুজনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ভাই বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত বলে জানিয়েছেন ওই নারী।

মা-বাবার মৃত্যুর পর তাঁদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির আনুষ্ঠানিক ভাগাভাগি এখনো হয়নি। এর মধ্যে উত্তরায় মায়ের কেনা প্রায় ১ হাজার ২০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। ওই নারীর দাবি, মা জীবিত থাকাকালে মৌখিকভাবে বলে গিয়েছিলেন, ফ্ল্যাটটি দুই ভাই-বোনের মধ্যে সমান ভাগে থাকবে। সেই অধিকার দাবি করার পর থেকেই ভাইয়ের আচরণে পরিবর্তন দেখতে পান তিনি।

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে গত ১৮ জুন ভাইয়ের আচরণ এবং সম্পত্তির কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে আইনি নোটিশ পাঠান ওই নারী। তাঁর অভিযোগ, এরপর তাঁকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে ১ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। পরে ৮ জুলাই তাঁর ভাইও ওই আইনি নোটিশের জবাব দেন।

দুই পক্ষের আইনি নোটিশ পর্যালোচনা করে জানা যায়, উভয়েই একে অপরের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ তুলেছেন। ওই নারীর অভিযোগ, ২৬ জুন রাতে তাঁর ভাই উত্তরার বাসায় গিয়ে আইনি নোটিশ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে মারধরের চেষ্টা, চিৎকার-চেঁচামেচি, গালিগালাজ এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেন তিনি।

ওই নারী আরও জানিয়েছেন, তিনি উত্তরার বাসায় একাই থাকেন। তাঁর ভাই প্রতি বৃহস্পতিবার সেখানে আসেন এবং রোববার কর্মস্থলে ফিরে যান। ভাই বিভিন্ন ব্যক্তিকে বাসায় নিয়ে আসেন এবং তাঁদের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এসব বিষয়ে আপত্তি জানালে ভাই তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে দাবি তাঁর।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই নারীর ভাই। তাঁর বক্তব্য, বোনের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং তিনি কখনো তাঁকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখাননি। বরং বোনের দুর্ব্যবহারের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তিনি উত্তরার ফ্ল্যাটে যান না।

সম্পত্তির বিষয়ে ভাইয়ের বক্তব্য, তাঁর বোন সম্পত্তিতে সমান অধিকার দাবি করছেন এবং তাঁদের মা মৌখিকভাবে ফ্ল্যাটটি দুই ভাই-বোনের মধ্যে সমান ভাগ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু এর কোনো লিখিত নির্দেশনা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। এ কারণে তিনি আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন এবং তাঁরা শরিয়াহ আইন অনুযায়ী সম্পত্তি ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

অন্যদিকে থানার পক্ষ থেকেও অভিযোগটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মহসিন হাসান জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে খোঁজ নিয়ে তাঁর কাছে মনে হয়েছে, ওই নারীর ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আরও তদন্ত প্রয়োজন। জিডির বিষয়ে তদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আদালতে আবেদন পাঠানোর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তা পাঠানো হয়নি বলে জানা গেছে।

তবে উত্তরার এই ঘটনাটি সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে ভাই-বোনের সম্পর্কের অবনতির একমাত্র উদাহরণ নয়। মা-বাবার মৃত্যুর পর সম্পত্তির ভাগ, বসতভিটা কিংবা পারিবারিক অধিকার নিয়ে অনেক নারীকে নানা ধরনের চাপ ও বঞ্চনার মুখোমুখি হতে হয়। কোথাও তাঁদের সম্পত্তি থেকে দূরে রাখা হয়, কোথাও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়, আবার কোথাও ভয়ভীতি বা মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও সামনে আসে।

৪৫ বছর বয়সী আরেক নারীর অভিজ্ঞতাও একই ধরনের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা ওই নারী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেছেন। বর্তমানে ফ্রিল্যান্স পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর বাবা চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা ছিলেন। চট্টগ্রামে পরিবারের একটি ফ্ল্যাট এবং ঢাকার মিরপুরে দাদার তৈরি বাড়ি ও দোকান ছিল।

ওই নারীর ভাষ্য, পরিবারের কঠিন সময়গুলোতে ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে। ২০১৯ সালে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই সন্তানকে নিয়ে চাকরির প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে থাকতে হয় তাঁকে। একই সময়ে তাঁর ভাবি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁদের কোনো সন্তান ছিল না। এরপর ২০২২ ও ২০২৩ সালে মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তাঁর বাবা ও মা মারা যান।

বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর ভাইয়ের আচরণ আরও বদলে যায় বলে অভিযোগ ওই নারীর। তাঁর দাবি, ভাই মা-বাবার প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতেন না। তিনি ঢাকার বাইরে থাকার সময় মা-বাবার জন্য টাকা পাঠালেও সেই অর্থ তাঁদের প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ছাড়া রাজশাহীর একটি বাড়ি ৫৪ লাখ টাকায় বিক্রি করে ভাই পুরো অর্থ নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। চট্টগ্রামের ফ্ল্যাট বিক্রির অর্থেরও একটি অংশ তিনি পাননি বলে দাবি করেন। ঢাকার ফ্ল্যাটে ভাইয়ের কাছে রাখা সাড়ে সাত ভরি সোনাও ফেরত পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে এই পরিবারের সম্পত্তি বিরোধের একটি ভিন্ন দিকও রয়েছে। ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর বাবা ছেলে ও মেয়ের মধ্যে মিরপুরের ফ্ল্যাট সমানভাবে ভাগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। দোকানটি বিক্রি করে ভাই পুরো অর্থ নিয়ে নিতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকে তিনি নিজেই সেটি কিনে নেন। পরে ২০২৪ সালে বিদেশে যাওয়ার আগে ভাই মিরপুরের ফ্ল্যাটে তাঁর নিজের অংশ বোনের নামে হেবা করে দেন। ওই নারীর ধারণা, বিদেশে যাওয়ার আগে হয়তো ভাইয়ের মধ্যে কিছুটা অনুশোচনা তৈরি হয়েছিল।

এখন তিনি মিরপুরের ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন এবং সন্তানদের স্কুলের কাছাকাছি একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর বর্তমানে কোনো যোগাযোগ নেই।

আরেক নারী, যিনি রাজধানীর একটি নামী স্কুলে শিক্ষকতা করেন, তাঁর অভিজ্ঞতাও সম্পত্তি ও পারিবারিক আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। স্বামীর মৃত্যুর পর এক সন্তানকে নিয়ে আর্থিকভাবে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়লে তিনি মা-বাবা ও ভাইয়ের ফ্ল্যাটে আশ্রয় নেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, সেখানে তাঁকে ভালোভাবে গ্রহণ করা হয়নি। বিশেষ করে নিজের বাবার ফ্ল্যাটে অধিকার থাকার কথা বলার পর ভাইয়ের আচরণ আরও কঠোর হয়ে ওঠে।

আরেক নারী একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাঁর বাবার বাড়ি ঢাকার বাইরে। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সম্পত্তি ভাগের সময় তাঁকে তুলনামূলক কম মূল্যের ও কম পরিমাণ সম্পত্তি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রতিবাদ করায় ভাইদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। এমনকি তাঁকে এলাকায় হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এসব ঘটনা পারিবারিক সহিংসতার প্রচলিত ধারণাকেও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। সাধারণত পারিবারিক সহিংসতা বলতে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের হাতে নারীর নির্যাতনের বিষয়টি বেশি আলোচিত হয়। কিন্তু আইন অনুযায়ী, পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তির হাতে নারী বা শিশু শারীরিক, মানসিক, যৌন নির্যাতন কিংবা আর্থিক ক্ষতির শিকার হলে সেটিও পারিবারিক সহিংসতার আওতায় পড়তে পারে।

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ অনুযায়ী, কোনো নারী বা শিশুকে তার বৈধ সম্পদ বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা কিংবা সম্পদের অধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়াও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পারিবারিক সহিংসতার অংশ হতে পারে। আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষা আদেশ এবং ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ২৩৭টি পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৫টি ঘটনায় স্বামী বা স্বামীর পরিবারের সদস্যদের হাতে নারী ও শিশু নির্যাতন বা হত্যার অভিযোগ ছিল। একই সময়ে ৩৫টি ঘটনায় নারী ও শিশু নিজ পরিবারের অন্য সদস্যদের হাতেও সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন বলে সংস্থাটির তথ্য থেকে জানা যায়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল অ্যাডভোকেসি ও লবি পরিচালক দীপ্তি শিকদারের মতে, পরিবারে ছেলে ও মেয়েকে অসমভাবে ক্ষমতায়িত করার সামাজিক প্রবণতা সম্পত্তি ও পারিবারিক অধিকারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি করে। ছোটবেলা থেকেই অনেক পরিবারে ছেলেদের বেশি সুযোগ ও কর্তৃত্ব দেওয়া হয়, অন্যদিকে মেয়েদের নিজেদের অধিকার নিয়ে আপস করতে শেখানো হয়। এর ফল বড় হয়ে সম্পত্তির ভাগাভাগি কিংবা পারিবারিক সিদ্ধান্তে দেখা যায়।

সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিরোধকে তাই শুধু অর্থনৈতিক বিষয় হিসেবে দেখলে সমস্যার পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পারিবারিক ক্ষমতার কাঠামো, সামাজিক মানসিকতা, নারীর প্রতি বৈষম্য এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার প্রশ্ন। মা-বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষটির কাছ থেকেই যখন কোনো নারী ভয় বা বঞ্চনার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন, তখন সেই সংকট শুধু সম্পত্তির নয়—তা তাঁর মানসিক নিরাপত্তাকেও গভীরভাবে নাড়া দেয়।

উত্তরার ৪৪ বছর বয়সী ওই নারীও তাই বলছেন, তাঁর লড়াই কেবল একটি ফ্ল্যাটের জন্য নয়। তিনি নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এমন একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করতে চান, যেখানে পরিবারের আপন সদস্যের কাছেও কোনো নারীকে তাঁর ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা বা ভয়ভীতির মধ্যে রাখা স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হবে না।

ভাই-বোনের সম্পর্ক সাধারণত শৈশবের স্মৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও পারস্পরিক নির্ভরতার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু সেই সম্পর্ক যখন সম্পত্তির হিসাব, উত্তরাধিকার এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ভেঙে যায়, তখন ক্ষতিটা শুধু সম্পদের থাকে না। ভেঙে যায় দীর্ঘদিনের আস্থা, নিরাপত্তাবোধ এবং পারিবারিক আশ্রয়ের অনুভূতিও। এই জায়গাতেই সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ঘটনাগুলোকে আরও গভীর সামাজিক ও মানবিক দৃষ্টিতে দেখা প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত