সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

সমন্বিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়কে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিন–ইসরাইল উত্তেজনা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪১ বার
সমন্বিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়কে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিন–ইসরাইল উত্তেজনা

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গাজার শাসনকাজ পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় প্রশাসন গঠনে রাজি হয়েছে। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা সমন্বিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য প্রস্তুত, যার মাধ্যমে সমস্ত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে। খবরটি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবে হামাস সম্মতি জানিয়েছে। তবে তারা এখনও ইসরাইলের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। হামাস জানিয়েছে, গাজার শাসনভার কার হাতে থাকবে তা নির্ধারণের প্রেক্ষিতে তারা একটি টেকনোক্রেট প্রশাসন গঠনের প্রস্তাব দিচ্ছে।

ইসরাইলি পক্ষের প্রতিক্রিয়ায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় হামাসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা জানিয়েছে, যদি হামাসের শর্ত মেনে নেওয়া হয়, তবে যুদ্ধ অবিলম্বে শেষ হতে পারে। হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তারা ইসরাইলের সকল জিম্মিকে মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরাইলকে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে।

মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে গাজায় গণহত্যা বন্ধ করা, ইসরাইলি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা, গুরুত্বপূর্ণ সহায়তার জন্য ক্রসিং পুনরায় চালু করা এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করা। হামাসের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে গাজায় সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও জীবিকা পুনরায় স্থিতিশীল হবে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বলেছেন, “গাজায় আটক সকল ইসরাইলি সেনাকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে।” তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন এবং উভয় পক্ষকে শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

গাজার সামরিক অভিযান ও সহিংসতার কারণে উপত্যকার বেশিরভাগ অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রায় দুই বছরের ইসরাইলি হামলায় ৬৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই পরিস্থিতি মানবিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং অবিলম্বে কার্যকর শান্তি প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও দৃঢ়ভাবে প্রমাণিত করেছে।

হামাস ও ইসরাইলের মধ্যবর্তী এই উত্তেজনা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনাগুলোকে লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি রাজনৈতিক সমঝোতা না হয়, তবে উভয় পক্ষের মধ্যে নতুন সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত