সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

ইসরাইল গাজা সিটিতে শক্তিশালী হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬১ বার
ইসরাইল গাজা সিটিতে শক্তিশালী হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। নিজস্ব প্রতিবেদক।  একটি বাংলাদেশ অনলাইন 

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ গাজা সিটিতে বড় ধরনের সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সোমবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, “গাজায় এবং বিদেশে বিলাসবহুল হোটেলগুলোতে থাকা হামাসের জন্য এটি শেষ সতর্কবার্তা। জিম্মিদের মুক্তি দিন এবং অস্ত্র ত্যাগ করুন। তা না হলে গাজা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং সবাইকে নিশ্চিহ্ন করা হবে।”

এসময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনী গাজা সিটি দখলের তার পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছে এবং আমরা গাজাকে পরাজিত করার জন্য অভিযান সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছি।” তার এই বক্তব্য এমন এক সময় প্রকাশ পেয়েছে, যখন ইসরাইল উত্তরাঞ্চলীয় গাজা সিটি দখলের জন্য সেনা অভিযান জোরদার করেছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী গাজা সিটিতে বহুতল ভবনে হামলা চালাচ্ছে। তাদের দাবি, এসব ভবন হামাস ব্যবহার করছে। রবিবার আল-রুইয়া টাওয়ারসহ একাধিক বহুতল ভবন ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস হওয়া ভবনের সংখ্যা কমপক্ষে ৫০টিতে পৌঁছেছে। ইসরাইলি সেনারা জানান, তারা হামলার আগে ভবনের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছিল। ফলে চারপাশে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

গাজা উপত্যকায় সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলায় আরও ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গাজার উত্তরাঞ্চলে ৪৯ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক এবং শিশুরা অন্তর্ভুক্ত, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগকে তীব্র করেছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, ধ্বংসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গাজার নাগরিকরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য হিমশিম খাচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের এই সামরিক অভিযানের ফলে গাজার জনগণের জীবনযাত্রা অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর কেবল হামাসকে লক্ষ্য করে আক্রমণ বন্ধের দিকে নয়, বরং ন্যায্য মানবিক সহায়তা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে, গাজার বসবাসকারীরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও তাদের আশেপাশের এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। মানবিক সংস্থা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদানে চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত