সর্বশেষ :
আইপিএল ফাইনালে মুখোমুখি আরসিবি-গুজরাত পিএসজির শিরোপা অক্ষুণ্ণ, আর্সেনালের টাইব্রেকার দুঃখ ইরান যুদ্ধের সুবর্ণ সুযোগে তুরস্কে এরদোয়ানের ক্ষমতা সুসংহতকরণের গল্প চীনের আপত্তি উপেক্ষা করে সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা জাপানের ইউরোপসেরা পিএসজির শিরোপা উদযাপনে ফ্রান্সে রণক্ষেত্র দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জামায়াত-এনসিপির অর্থের উৎস নিয়ে রাশেদ খাঁনের তীক্ষ্ণ কটাক্ষ ২৫ কোটি টাকা ‘নিয়ে যাওয়ার’ অভিযোগে মুখ খুললেন আসিফ মাহমুদ জেলা প্রশাসকের কাছে ১০ কোটি টাকার ব্যাখ্যা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনসাসা, ঢাকার বাতাস এখনো অস্বাস্থ্যকর

এভারকেয়ারে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন জুবাইদা রহমান

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮ বার
এভারকেয়ারে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন জুবাইদা রহমান

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে গেছেন তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি হাসপাতালটি পৌঁছান এবং সেখানেই তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)। হাসপাতালের আশেপাশে দুপুরের পর থেকে কোনো নেতাকর্মীর ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহে ছিলেন।

গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাতে মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান রিপোর্ট স্বাভাবিক এবং তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। বোর্ড জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী আগের তুলনায় তুলনামূলকভাবে সুস্থ আছেন এবং তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। এভারকেয়ার হাসপাতালের দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা নিবিড় তত্ত্বাবধানে তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন।

চিকিৎসকরা জানান, বেগম জিয়া এখন কিছুটা কথা বলার চেষ্টা করতে পারেন। তিনি মাঝে মাঝে দুই পুত্রবধূ, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথোপকথন করতে সক্ষম হচ্ছেন। তার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন প্যারামিটার উন্নতির দিকে রয়েছে। সিটিস্ক্যান, ইসিজি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার ফলাফলে উন্নতি ধরা পড়েছে, যা তার চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে আরও সহায়ক করছে।

খালেদা জিয়ার বয়স বর্তমানে ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র এবং চোখের জটিলতায় ভুগছেন। ২৩ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তিনি এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন আছেন। তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন যুক্তরাজ্য ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

এবারের মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা কার্যক্রম চলতে থাকায় আশা করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিক উন্নতি হবে। চিকিৎসকেরা বলেন, তার সুস্থতা সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও নিয়মিত তত্ত্বাবধানে থাকলে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।

হাসপাতালে যাওয়ার সময় ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি বিএনপি নেতাদের মধ্যে আস্থা ও সাহস বৃদ্ধি করেছে। যদিও নেতাকর্মীরা সরাসরি হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না, তবে সংবাদমাধ্যমের নজরদারি এবং সিকিউরিটি ফোর্সের তৎপরতা বিষয়টি আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখে। চিকিৎসা দলের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং তার উন্নতির জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের বড় দুশ্চিন্তা ব্যাটিং

এছাড়া হাসপাতালের আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত থাকায় হাসপাতালের কার্যক্রম বাধাহীনভাবে চলেছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রতি দেশবাসীর নজর রয়েছে এবং প্রবাসী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দও নিয়মিত তার সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন।

চিকিৎসকরা আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় মেডিকেল বোর্ড প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে যাতে তার শরীরের বিভিন্ন জটিল রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া তারা নিশ্চিত করেছেন যে, বিদেশি ও দেশি বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় তার চিকিৎসা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ধীরে ধীরে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আরও স্থিতিশীল হবে। তার সুস্থতার জন্য সরকারের পাশাপাশি পরিবার ও চিকিৎসকরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ, তাই সর্বাধিক সতর্কতা এবং পেশাদার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত