সর্বশেষ :
আইপিএল ফাইনালে মুখোমুখি আরসিবি-গুজরাত পিএসজির শিরোপা অক্ষুণ্ণ, আর্সেনালের টাইব্রেকার দুঃখ ইরান যুদ্ধের সুবর্ণ সুযোগে তুরস্কে এরদোয়ানের ক্ষমতা সুসংহতকরণের গল্প চীনের আপত্তি উপেক্ষা করে সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা জাপানের ইউরোপসেরা পিএসজির শিরোপা উদযাপনে ফ্রান্সে রণক্ষেত্র দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জামায়াত-এনসিপির অর্থের উৎস নিয়ে রাশেদ খাঁনের তীক্ষ্ণ কটাক্ষ ২৫ কোটি টাকা ‘নিয়ে যাওয়ার’ অভিযোগে মুখ খুললেন আসিফ মাহমুদ জেলা প্রশাসকের কাছে ১০ কোটি টাকার ব্যাখ্যা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনসাসা, ঢাকার বাতাস এখনো অস্বাস্থ্যকর

শুক্রবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা: প্রস্তুতি ও নির্দেশনা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬ বার
শুক্রবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা: প্রস্তুতি ও নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর একযোগে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে দেশের ১৭টি কেন্দ্র ও ৪৯টি ভেন্যুতে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৮টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না এবং সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটি সুনিশ্চিত করতে পরীক্ষার শুরু আগেই কেন্দ্রে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এবার ভর্তি পরীক্ষার সময় ১৫ মিনিট বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ পরীক্ষার্থীরা এবার ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় পাবেন ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য। পরীক্ষায় প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। পাস নম্বর নির্ধারিত আছে ৪০।

প্রবেশপত্রের সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই আনতে হবে স্বচ্ছ ব্যাগ, রঙিন প্রবেশপত্র, কালো বা নীল স্বচ্ছ বলপয়েন্ট কলম, এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড। মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো ব্যাগ পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বছরের এ ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজে মোট আসনের সংখ্যা ১৩ হাজার ৫১। এর মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ১০০ এবং ডেন্টাল ইউনিটে ৫৪৫টি আসন রয়েছে। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে আসন রয়েছে ৬ হাজার ১টি এবং বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ১ হাজার ৪০৫টি। অর্থাৎ এমবিবিএস কোর্সে মোট ১১ হাজার ১০১টি এবং বিডিএস কোর্সে ১ হাজার ৯৫০টি আসন প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভর্তি পরীক্ষায় এইচএসসি বা সমমানের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন থাকবে। জীববিজ্ঞান থেকে ৩০, রসায়ন থেকে ২৫, পদার্থবিজ্ঞান থেকে ১৫, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, প্রবণতা ও মানবিক গুণাবলি মূল্যায়নের জন্য ১৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন করে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া নিশ্চিত করবেন।

সাথে সাথেই মন্ত্রণালয় পরীক্ষার্থীদের সচেতন করেছেন যাতে তারা কোনও গুজবের প্রভাবে বিভ্রান্ত না হন। সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনও সুযোগ নেই। এজন্য তারা যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

প্রবেশপত্র, কলম ও অন্যান্য অনুমোদিত সামগ্রী ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোরতা থাকবে। পরীক্ষার চলাকালীন সময়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে শিক্ষার্থীদের এই নিয়মগুলো মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত করা হবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, কেন্দ্রের নিয়মাবলী মেনে চলা এবং পরীক্ষার সময় মনোযোগী থাকা তাদের জন্য অপরিহার্য। কেন্দ্রে উপস্থিত সকলকে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মিতভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষার সময় স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হবে।

প্রবেশপত্রের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের আনতে হবে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রমাণপত্র হিসেবে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার প্রবেশপত্র, যা তাদের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে। এই নিয়ম না মানলে পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্র থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

এবার ভর্তি পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি করা হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের সময় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি প্রশ্নে মনোযোগী হয়ে উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভুল উত্তর দিচ্ছে শাস্তি হিসেবে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। পাস নম্বর নির্ধারিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি আরও মনোযোগী এবং পরিকল্পিতভাবে করা জরুরি।

এইচএসসি ও সমমানের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান, প্রবণতা ও মানবিক গুণাবলির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পূর্ণ প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন। এই বিষয়গুলোতে সঠিকভাবে উত্তর দেওয়া শিক্ষার্থীদের পাস করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সারা দেশের শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রসমূহে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকল কেন্দ্র পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কোনোরকম বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করার মাধ্যমে তারা সফলভাবে ভর্তি পরীক্ষার অংশগ্রহণ করবেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সকল নির্দেশনা মেনে চলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত