আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫ বার
আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ
প্রকাশ: ১২ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত নিরহংকার, সাধারণ ও অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত এই গুণী সংগঠক ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও তিনি সারাজীবনে ক্ষমতার মোহ বা প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সর্বদা সযত্নে দূরে রাখতেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তাঁর যে অপরিসীম অবদান, তা আজও দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।
আরাফাত রহমান কোকোর জীবনের একটি সোনালী অধ্যায় জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও সামগ্রিক ক্রীড়া জগতের উন্নয়ন। বিশেষ করে ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই সময়ে ক্রিকেটকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপমুক্ত করতে তিনি অত্যন্ত সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। কেবল ক্রিকেট নয়, বরং ফুটবলসহ দেশের সামগ্রিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমুখী উন্নয়ন, অবকাঠামোগত আধুনিকায়ন এবং তরুণ ও মেধাবী খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনার ফলেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি শক্ত ভিত ওপর দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল, যা আজও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে থাকেন।
বহু বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই মানুষটির জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত সহজ-সরল। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও অহংকার তাঁকে কখনো স্পর্শ করতে পারেনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যেমন ছিলেন মৃদুভাষী, তেমনি বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। দেশের চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্রমূলক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাঁকে একসময় দেশত্যাগী হতে হয়েছিল। দীর্ঘ প্রবাস জীবন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের কথা ভুলে যাননি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই প্রথিতযশা ক্রীড়া সংগঠক না ফেরার দেশে চলে যান। তাঁর সেই আকস্মিক ও অকাল প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও ক্রীড়া মহলে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল, যা আজও পূরণ হওয়ার নয়।
মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয়ভাবে এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনখানি, বনানী কবরস্থানে মরহুমের সুপবিত্র মাজার জিয়ারত এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে তাঁর স্মরণে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আজকের এই দিনে দলের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছেন সেই মানুষটিকে, যিনি নিঃস্বার্থভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ভালোবেসে গেছেন এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে লাখো মানুষের হৃদয়ে চিরদিনের জন্য অমর হয়ে আছেন।

আরাফাত রহমান কোকোর জীবনের একটি সোনালী অধ্যায় জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও সামগ্রিক ক্রীড়া জগতের উন্নয়ন। বিশেষ করে ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই সময়ে ক্রিকেটকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপমুক্ত করতে তিনি অত্যন্ত সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। কেবল ক্রিকেট নয়, বরং ফুটবলসহ দেশের সামগ্রিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমুখী উন্নয়ন, অবকাঠামোগত আধুনিকায়ন এবং তরুণ ও মেধাবী খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনার ফলেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি শক্ত ভিত ওপর দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল, যা আজও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে থাকেন।

বহু বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই মানুষটির জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত সহজ-সরল। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও অহংকার তাঁকে কখনো স্পর্শ করতে পারেনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যেমন ছিলেন মৃদুভাষী, তেমনি বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। দেশের চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্রমূলক পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাঁকে একসময় দেশত্যাগী হতে হয়েছিল। দীর্ঘ প্রবাস জীবন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের কথা ভুলে যাননি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই প্রথিতযশা ক্রীড়া সংগঠক না ফেরার দেশে চলে যান। তাঁর সেই আকস্মিক ও অকাল প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও ক্রীড়া মহলে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল, যা আজও পূরণ হওয়ার নয়।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয়ভাবে এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনখানি, বনানী কবরস্থানে মরহুমের সুপবিত্র মাজার জিয়ারত এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে তাঁর স্মরণে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আজকের এই দিনে দলের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছেন সেই মানুষটিকে, যিনি নিঃস্বার্থভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ভালোবেসে গেছেন এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে লাখো মানুষের হৃদয়ে চিরদিনের জন্য অমর হয়ে আছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত