ভারত থেকে আসছে নতুন ২০টি ব্রডগেজ রেল কোচ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার
ভারত থেকে আসছে নতুন ২০টি ব্রডগেজ রেল কোচ
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, যাত্রী সাধারণের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে নির্মিত অত্যন্ত আধুনিক ও মানসম্মত বিশটি এলএইচবি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম চালানটি আজ বুধবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছাচ্ছে। রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আজকের এই নতুন চালানের মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত আরামদায়ক ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বা এসি স্লিপার কোচ, দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রার ক্লান্তি দূর করার উপযোগী তিনটি এসি চেয়ার কার, সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের জন্য অত্যন্ত প্রশস্ত বারোটি নন-এসি চেয়ার কার এবং ট্রেনের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি পাওয়ার কার। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নতুন কোচগুলোর আগমন দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে এক সম্পূর্ণ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং যাত্রীদের মনে এক অভূতপূর্ব স্বস্তির পরশ বুলিয়ে দেবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে জানানো হয়েছে যে, এবারের এই বিশেষ কোচগুলোর নকশা এবং নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু অভিনব ও অনন্য পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে এমন অনেক আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজাইন রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী এলএইচবি-ধরনের কোচের ক্ষেত্রে এই প্রথমবার সফলভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সর্বাধুনিক কোচগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের ঐতিহাসিক কাপুরথালা শহরে অবস্থিত বিশ্বখ্যাত রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে। নিখুঁত কারুকার্য, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা বিধান এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার কথা মাথায় রেখেই ভারতের এই শীর্ষস্থানীয় রেল কারখানার অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও কারিগররা অত্যন্ত যত্নের সাথে কোচগুলো প্রস্তুত করেছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার হাতকে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই রেল কোচ সরবরাহ একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল ও স্মরণীয় মাইলফলক হয়ে থাকবে।
রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন নীতিনির্ধারক সূত্রে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, ভারতের কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যকার সুদৃঢ় সহযোগিতামূলক ও আস্থার সম্পর্কটি আজকের নয়, বরং এটি অত্যন্ত সফলভাবে ২০১৫-১৬ সাল থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে। সে সময় ঐতিহাসিক সেই সফল চুক্তির আওতায় ভারতীয় কারখানার পক্ষ থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাংলাদেশ রেলওয়েকে মোট একশ কুড়িটি এলএইচবি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে সেই কোচগুলো সংযোজিত হওয়ার পর থেকেই দেশের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর সেবার মান নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সাধারণ যাত্রীরা তার সুফল সরাসরি ভোগ করেছিলেন। বিগত বছরের সেই সফল অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক আস্থার সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর সম্পূর্ণ ভর করেই বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা রাইটসের মাধ্যমে ভারতকে আবারও সর্বমোট দুইশটি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে, যা মূলত সাতটি ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণীয় ধরনের সমন্বয়ে গঠিত।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা উভয় দেশের রেল খাতের পারস্পরিক সম্পর্ককে আগামী দিনে আরও অনেক বেশি সুদৃঢ়, গভীর ও অর্থবহ করবে বলে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মহল গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। প্রায় নয়শ পনেরো কোটি টাকার একটি বিশাল আর্থিক চুক্তির সফল বাস্তবায়নের আওতায় এই দুইশটি উন্নতমানের কোচ সরবরাহের সম্পূর্ণ কাজ আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের উদার অর্থায়নে অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়নাধীন এই বৃহৎ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের বহুদিনের পুরনো ও জরাজীর্ণ কোচ বহরের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন, আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক কোচগুলো যুক্ত করা, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং যোগাযোগ খাতে এক সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে জানানো হয়েছে যে, এবারের এই বিশেষ কোচগুলোর অভ্যন্তরীণ নকশা এবং নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু অভিনব, দৃষ্টিনন্দন ও অনন্য পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে এমন অনেক আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজাইন রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী ও প্রথাগত এলএইচবি-ধরনের কোচের ক্ষেত্রে এই প্রথমবার অত্যন্ত সফলভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সর্বাধুনিক কোচগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের ঐতিহাসিক ও শিল্পসমৃদ্ধ কাপুরথালা শহরে অবস্থিত বিশ্বখ্যাত এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে। নিখুঁত কারুকার্য, আন্তর্জাতিক মানের সুরক্ষা বিধান এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা গভীরভাবে মাথায় রেখেই ভারতের এই শীর্ষস্থানীয় রেল কারখানার অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও দক্ষ কারিগররা অত্যন্ত যত্নের সাথে কোচগুলো প্রস্তুত করেছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার হাতকে আগামী দিনে আরও অনেক বেশি সুদৃঢ় ও অর্থবহ করার ক্ষেত্রে এই রেল কোচ সরবরাহ একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল ও স্মরণীয় মাইলফলক হয়ে থাকবে।

রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন নীতিনির্ধারক সূত্রে আরও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে যে, ভারতের কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যকার সুদৃঢ় সহযোগিতামূলক, আস্থার ও বন্ধুত্বের সম্পর্কটি আজকের নতুন কোনো ঘটনা নয়, বরং এটি অত্যন্ত সফলভাবে ২০১৫-১৬ সাল থেকেই সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে। সে সময় ঐতিহাসিক সেই সফল দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতীয় কারখানার পক্ষ থেকে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে বাংলাদেশ রেলওয়েকে মোট একশ কুড়িটি উচ্চমানের এলএইচবি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে সেই আধুনিক কোচগুলো দেশের বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনে সফলভাবে সংযোজিত হওয়ার পর থেকেই রেলওয়ের যাত্রী সেবার মান নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সাধারণ যাত্রীরা তার সুফল সরাসরি উপভোগ করেছিলেন। বিগত বছরের সেই অত্যন্ত সফল অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক আস্থার সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর সম্পূর্ণ ভর করেই বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরামর্শক সংস্থা রাইটসের মাধ্যমে ভারতকে আবারও সর্বমোট দুইশটি ব্রড-গেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির এক বিশাল ও গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে, যা মূলত সাতটি ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণীয় ও আধুনিক ধরনের সমন্বয়ে গঠিত।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা উভয় দেশের রেল খাতের পারস্পরিক সম্পর্ককে আগামী দিনে আরও অনেক বেশি সুদৃঢ়, গভীর ও জনকল্যাণমুখী করবে বলে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহল গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। প্রায় নয়শ পনেরো কোটি টাকার একটি বিশাল ও জনবান্ধব আর্থিক চুক্তির সফল বাস্তবায়নের আওতায় এই দুইশটি উন্নতমানের কোচ সরবরাহের সম্পূর্ণ কাজ আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অত্যন্ত সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হওয়ার উজ্জ্বল ও সুনির্দিষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের অত্যন্ত উদার ও সময়োপযোগী অর্থায়নে অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়নাধীন এই বৃহৎ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের বহুদিনের পুরনো, জরাজীর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ কোচ বহরের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন, আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত মানের কোচগুলো যুক্ত করা, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, যোগাযোগ খাতের বিপ্লব এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে এক সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত