প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন, পাশাপাশি দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্রমবর্ধমান। এই প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। প্রবাসী আয় দেশে আসা, বাণিজ্যিক চাহিদা এবং রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমের সঙ্গে মিলিয়ে মুদ্রা বিনিময়ের হার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রোববার (৮ মার্চ) লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয় হার তুলে ধরা হলো। ইউএস ডলার ক্রয় করা যাবে ১২১.৭০ টাকায়, বিক্রি হবে ১২২.৭০ টাকায়। ইউরোপীয় ইউরো ক্রয় ১৩৯.৫৭ টাকায়, বিক্রয় ১৪৪.৪১ টাকায়। ব্রিটিশ পাউন্ড ক্রয় হচ্ছে ১৬১.৩৯ টাকায়, বিক্রয় ১৬৬.৪৩ টাকায়।
এছাড়া জাপানি ইয়েন ০.৭৬ টাকায় ক্রয়যোগ্য এবং ০.৭৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সিঙ্গাপুর ডলার ক্রয় হচ্ছে ৯৪.৭২ টাকায়, বিক্রি ৯৬.৩৩ টাকায়। আমিরাতি দিরহাম ক্রয় ৩৩.১৩, বিক্রয় ৩৩.৪১ টাকা।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ক্রয় হচ্ছে ৮৪.৯৫, বিক্রয় ৮৬.৮৮ টাকায়। সুইস ফ্রাঁ ক্রয়যোগ্য ১৫৫.৩৯ টাকায়, বিক্রয় ১৫৯.৬২ টাকায়। সৌদি রিয়েল ক্রয় ৩২.৪১, বিক্রয় ৩২.৭১ টাকায়।
চীনের ইউয়ান ক্রয় ১৭.৫৪, বিক্রয় ১৭.৯০ টাকায়। ভারতের রুপি ক্রয় ১.৩২, বিক্রয় ১.৩৪ টাকায়।
বাণিজ্যিক লেনদেন ও প্রবাসীদের মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। এই হারের ভিত্তিতে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের লেনদেন পরিকল্পনা করতে হবে।
বাংলাদেশে ব্যাংক ও অনুমোদিত ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এই হারের উপর ভিত্তি করে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্সে এই হারের ওঠা-নামার প্রভাব সরাসরি পড়ছে ব্যবসায়িক সংস্থা ও সাধারণ গ্রাহকের উপর।
বাজার পর্যবেক্ষণকারীরা মনে করছেন, বৈদেশিক মুদ্রার হার স্থিতিশীল রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি-আমদানি পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে উপযুক্ত নীতি গ্রহণ করলে দেশে মুদ্রার বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হবে।
অতএব, রোববারের বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয় হারের তথ্য ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য দিকনির্দেশক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে যেকোনো সময় হারের পরিবর্তনকে বিবেচনা করতে হবে, যাতে ক্ষতি এড়ানো যায় এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।