সর্বশেষ :
এনসিপি সরকার গড়লে মন্ত্রী কারা? জানালেন পাটওয়ারী ভারতের স্বার্থ রক্ষায় লিপ্ত বিএনপি: জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের শীর্ষে বিদেশিরা: উদ্বেগজনক তথ্য ঐতিহাসিক শান্তিতে দেশজুড়ে দুর্গোৎসব উদযাপন হেফাজতের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট সমমনা ইসলামী দল কক্সবাজারে ৪ পর্যটকের সাগরে প্রানহানি, এখনও নিখোঁজ ১ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অসুস্থ: উন্নত চিকিৎসায় বিএমইউতে স্থানান্তর রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার দখল কেন্দ্রিক কোন্দলে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ‘ইশরাক পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে’: নিলোফার চৌধুরী খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছাত্রশিবির নিয়ে নাছির উদ্দীনের কঠোর সমালোচনা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৬ বার
ছাত্রশিবির নিয়ে নাছির উদ্দীনের কঠোর সমালোচনা

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হেনস্থা এবং সাইবার বুলিংয়ের শিকার বানাচ্ছে বলে অত্যন্ত জোরালো অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। তিনি দাবি করেছেন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংগঠনগুলো যখন এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলছিল, ঠিক সেই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসিতে ফিমেল কর্নার চালুর মাধ্যমে এক ধরণের কৌশলগত অবস্থান তৈরি করা হয়। গত রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘রক্তাক্ত জুলাই স্মরণ প্রত্যয়’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ মামুনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আরও বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পবিত্র মাটি থেকে তিনি স্পষ্টভাবে বলতে চান যে, দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে যারা বিকৃত মানসিকতা ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে, তাদের প্রতি তীব্র ধিক্কার ও ঘৃণা প্রকাশ করা উচিত। সেই সঙ্গে দেশের সকল সাধারণ শিক্ষার্থীকে এ ধরণের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের দূরে রাখার দৃঢ় আহ্বান জানান তিনি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র ছাত্রসংগঠন হিসেবে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল। স্বৈরাচারী শাসন হটাতে গিয়ে এই সংগঠনের ১৪২ জন নেতাকর্মী নিজেদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। শহীদ ওয়াসিম, শহীদ রাব্বি সহ যাঁরা রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিলেন, তাদের মূল স্বপ্ন ছিল একটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক, সাম্যভিত্তিক ও মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা।

স্মরণসভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি দিকনির্দেশনায় ছাত্রদল সহ রাজপথের অন্যান্য সমমনা গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো নিরলসভাবে সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ আন্দোলনের সেই কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জিত হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকল ছাত্রসংগঠনকে দায়িত্বশীল আচরণ করার কঠোর তাগিদ দেন। অনুষ্ঠান শেষে জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলাকালে আহত নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ মামুনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আরও বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পবিত্র মাটি থেকে তিনি স্পষ্টভাবে বলতে চান যে, দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে যারা বিকৃত মানসিকতা ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে, তাদের প্রতি তীব্র ধিক্কার ও ঘৃণা প্রকাশ করা উচিত। সেই সঙ্গে দেশের সকল সাধারণ শিক্ষার্থীকে এ ধরণের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের দূরে রাখার দৃঢ় আহ্বান জানান তিনি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র ছাত্রসংগঠন হিসেবে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল। স্বৈরাচারী শাসন হটাতে গিয়ে এই সংগঠনের ১৪২ জন নেতাকর্মী নিজেদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। শহীদ ওয়াসিম, শহীদ রাব্বি সহ যাঁরা রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিলেন, তাদের মূল স্বপ্ন ছিল একটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক, সাম্যভিত্তিক ও মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা।

স্মরণসভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি দিকনির্দেশনায় ছাত্রদল সহ রাজপথের অন্যান্য সমমনা গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো নিরলসভাবে সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ আন্দোলনের সেই কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জিত হয়। বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকল ছাত্রসংগঠনকে দায়িত্বশীল আচরণ করার কঠোর তাগিদ দেন। অনুষ্ঠান শেষে জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলাকালে আহত নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com