সর্বশেষ :

প্রাণনাশের হুমকিতে সৌরভ গাঙ্গুলী

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার
প্রাণনাশের হুমকিতে সৌরভ গাঙ্গুলী
প্রকাশ: ১১ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) সম্মানিত সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী এবং তাঁর সহধর্মিণী প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ডোনা গাঙ্গুলীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিক চিঠি পাঠানোর একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে যে, কেবল একবার বা বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সৌরভ গাঙ্গুলীর কার্যালয় ও বাসভবনের ঠিকানায় এমন বেশ কিছু হুমকিসূচক চিঠি পাঠানো হচ্ছিল। তবে শুরুর দিকে বিষয়টিকে বিক্ষিপ্ত বা মামুলি কোনো ভক্তের আচরণ কিংবা বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আইনি কোনো পদক্ষেপে যাননি তাঁরা। কিন্তু সম্প্রতি পাঠানো চিঠিগুলোতে সরাসরি সৌরভ গাঙ্গুলী ও তাঁর স্ত্রীকে নির্মমভাবে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার বা হত্যার ভয়ংকর হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও নিকটজনদের বড় ধরনের ক্ষতি করার প্রকাশ্য বার্তা দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে চরম উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর ও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় অবশেষে বাধ্য হয়ে সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতার স্থানীয় থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম শীর্ষ একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে এমন সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝেও তীব্র প্রতিক্রিয়া ও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অভিযোগটিকে অত্যন্ত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করে অবিলম্বে এর পেছনের রহস্য উন্মোচনে ময়দানে নেমে পড়েছেন। কে বা কারা এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে দেশের অন্যতম এই ভিআইপি ব্যক্তিত্বের পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা উদঘাটনের জন্য কলকাতার গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের বিশেষ টিমগুলো যৌথভাবে জোরদার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।
প্রাথমিক তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পুলিশের দায়িত্বশীল এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এই মুহূর্তে তদন্তকারীরা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে প্রেরিত চিঠিগুলোর লেখার ভাষা, শব্দচয়ন, এগুলো পাঠানোর সুনির্দিষ্ট উৎস এবং কোন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পার্সেলগুলো কার্যালয়ে এসে পৌঁছেছে তার প্রতিটি খুঁটিনাটি বিবরণ চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও কুরিয়ার ট্রেইল পর্যালোচনা করে পুলিশের গোয়েন্দারা এই মর্মে একটি প্রাথমিক ধারণা লাভ করেছেন যে, রহস্যজনক ও হুমকিভরা এই চিঠিগুলো সম্ভবত পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বেলঘরিয়া অঞ্চলের কোনো এক ব্যক্তির মাধ্যমে কোনো একটি নিবন্ধিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে। প্রেরক যে কৌশলেই চিঠিগুলো পাঠিয়ে থাকুক না কেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কুরিয়ার এজেন্সির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন এবং পার্সেল বুকিংয়ের সময় ব্যবহৃত বিস্তারিত তথ্য ও কনসাইনমেন্টের বিবরণ সংগ্রহ করেছেন। বিশেষ করে, চিঠির সঙ্গে জড়িত বা এর নেপথ্যে ব্যবহৃত একটি সন্দেহভাজন মোবাইল ফোন নম্বর এবং একটি নির্দিষ্ট সিম কার্ডের বর্তমান অবস্থান, সিগন্যাল মুভমেন্ট ও ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, খুব দ্রুতই এই মোবাইল নম্বরের বর্তমান লোকেশন ট্র্যাক করে মূল হোতাকে পাকড়াও করা সম্ভব হবে। বিগত ছয় মাস ধরে আসা প্রতিটি চিঠির উৎস এক কি না এবং এই নেপথ্যে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা, মানসিক বিকৃতি নাকি অন্য কোনো গভীর ষড়যন্ত্র কাজ করছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়কের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক দিক পুনরায় মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) সম্মানিত সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী এবং তাঁর সহধর্মিণী প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ডোনা গাঙ্গুলীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিক চিঠি পাঠানোর একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে যে, কেবল একবার বা বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সৌরভ গাঙ্গুলীর কার্যালয় ও বাসভবনের ঠিকানায় এমন বেশ কিছু হুমকিসূচক চিঠি পাঠানো হচ্ছিল। তবে শুরুর দিকে বিষয়টিকে বিক্ষিপ্ত বা মামুলি কোনো ভক্তের আচরণ কিংবা বাড়াবাড়ি হিসেবে গণ্য করে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আইনি কোনো পদক্ষেপে যাননি তাঁরা। কিন্তু সম্প্রতি পাঠানো চিঠিগুলোতে সরাসরি সৌরভ গাঙ্গুলী ও তাঁর স্ত্রীকে নির্মমভাবে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার বা হত্যার ভয়ংকর হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও নিকটজনদের বড় ধরনের ক্ষতি করার প্রকাশ্য বার্তা দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে চরম উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর ও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় অবশেষে বাধ্য হয়ে সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতার স্থানীয় থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম শীর্ষ একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে এমন সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝেও তীব্র প্রতিক্রিয়া ও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অভিযোগটিকে অত্যন্ত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করে অবিলম্বে এর পেছনের রহস্য উন্মোচনে ময়দানে নেমে পড়েছেন। কে বা কারা এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে দেশের অন্যতম এই ভিআইপি ব্যক্তিত্বের পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা উদঘাটনের জন্য কলকাতার গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের বিশেষ টিমগুলো যৌথভাবে জোরদার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

প্রাথমিক তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পুলিশের দায়িত্বশীল এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এই মুহূর্তে তদন্তকারীরা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে প্রেরিত চিঠিগুলোর লেখার ভাষা, শব্দচয়ন, এগুলো পাঠানোর সুনির্দিষ্ট উৎস এবং কোন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পার্সেলগুলো কার্যালয়ে এসে পৌঁছেছে তার প্রতিটি খুঁটিনাটি বিবরণ চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও কুরিয়ার ট্রেইল পর্যালোচনা করে পুলিশের গোয়েন্দারা এই মর্মে একটি প্রাথমিক ধারণা লাভ করেছেন যে, রহস্যজনক ও হুমকিভরা এই চিঠিগুলো সম্ভবত পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বেলঘরিয়া অঞ্চলের কোনো এক ব্যক্তির মাধ্যমে কোনো একটি নিবন্ধিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে। প্রেরক যে কৌশলেই চিঠিগুলো পাঠিয়ে থাকুক না কেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত