দুই দিনে টেস্ট শেষ হোক চান না কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার
দুই দিনে টেস্ট শেষ হোক চান না কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ
প্রকাশ: ১১ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
ক্রিকেট খেলার দীর্ঘতম সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে পিচ বা উইকেটের চরিত্র সবসময়ই সবচেয়ে বড় এবং কেন্দ্রীয় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে। সীমিত ওভারের মারকাটারি ক্রিকেটের যুগে দাঁড়িয়েও পাঁচ দিনের ধ্রুপদী লড়াইয়ে উইকেটের মনস্তত্ত্ব এবং এর আচরণই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজকে কেন্দ্র করে ক্রিকেট বিশ্বে এখন বইছে উত্তেজনার হাওয়া। সুদূর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শুরু হতে যাওয়া এই হাইভোল্টেজ টেস্ট সিরিজের আগে ডারউইনের ঐতিহ্যবাহী মারারা স্টেডিয়ামের উইকেট কেমন আচরণ করবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর এই ভেন্যুতে আবার টেস্ট ক্রিকেটের লড়াই ফিরছে দেখে স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটপ্রেমী ও বিশেষজ্ঞদের মনে নানা প্রশ্নের উদয় হয়েছে। সর্বশেষ ২০০৩ সালে এই মারারা স্টেডিয়ামেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ দল। সুদীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় পর এই ঐতিহাসিক মাঠে লাল বলের লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন দর্শকরা, আর তার ঠিক আগমুহূর্তে উইকেটের প্রকৃতি নিয়ে মুখ খুলেছেন মাঠের প্রধান কিউরেটর।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মারারা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ পিচের চরিত্র সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের মূল লক্ষ্য এমন একটি মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ পিচ তৈরি করা, যেখানে ব্যাটাররা যেমন স্ট্রোক খেলার পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন, ঠিক তেমনি বোলাররাও তাদের মেধা ও পরিশ্রমের জোরে কিছু না কিছু সুবিধা আদায় করে নিতে পারবেন। উইকেটে অতিরিক্ত কোনো জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মতো মানসিকতা বা পরিস্থিতি এই মুহূর্তে তাদের নেই বলে জানান তিনি। আধুনিক ক্রিকেটের দাবি মিটিয়ে একটি প্রকৃত প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য টেস্ট ম্যাচ উপহার দেওয়াই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে এসে পিচ কিছুটা শুষ্ক হয়ে ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেও, ম্যাচের প্রথম দিক থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত একটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন এই অভিজ্ঞ কিউরেটর। ঐতিহ্যগতভাবেই অস্ট্রেলিয়ার উইকেট মানেই পেসারদের স্বর্গরাজ্য এবং বাউন্সের পসরা—এমন একটা সাধারণ ধারণা ক্রিকেট বিশ্বে প্রচলিত থাকলেও, মারারা স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের উইকেটের চরিত্র যে ভৌগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে, সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জ্যাক পাভলিচ বলেন যে নিখুঁত বা আদর্শ অস্ট্রেলিয়ান পিচ কাকে বলে, তা নির্দিষ্ট করে বলা অত্যন্ত কঠিন। সত্যি বলতে কি, আধুনিক কিউরেটরদের কাছেও অনেক সময় উইকেটের চূড়ান্ত আচরণ বিস্ময় হয়ে দেখা দেয়। তবে ডারউইনের এই মাঠে একটি আদর্শ ও মানসম্মত ব্যাটিং উইকেট তৈরির বিষয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী, যেখান থেকে ফাস্ট বোলার কিংবা স্পিনাররা সবাই সমানভাবে লড়াই করার সুযোগ পাবে। মারারা স্টেডিয়ামের অতীত পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, অতীতে এই মাঠে মাত্র দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার একটিতে শ্রীলঙ্কা এবং অপরটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে বেশ সহজে জয় তুলে নিয়েছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ করে ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই টেস্ট ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল টাইগাররা। অতীতের সেই স্মৃতি মাথায় রেখে এবারকার ম্যাচটি কেমন হবে, তা নিয়ে যখন নানা মুনির নানা মত, তখন কিউরেটরের একটি মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব দ্রুত টেস্ট ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। যেমনটি দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ অ্যাশেজ সিরিজে, যেখানে পার্থ ও মেলবোর্ন টেস্ট মাত্র দুই দিনেই নাটকীয়ভাবে সমাপ্ত হয়ে গিয়েছিল। পিচের অতিরিক্ত সহায়তা এবং ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে টেস্ট ম্যাচ এত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল। মারারা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা কখনই চান না বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার এই টেস্ট ম্যাচটি মাত্র দুই দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাক। ক্রিকেটপ্রেমীরা পাঁচ দিন ধরেই জমজমাট লড়াই উপভোগ করুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। তবে একই সঙ্গে তিনি বাস্তবতার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে উইকেট তৈরির বাইরে ম্যাচ কত দূর গড়াবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মাঠে লড়াই করা খেলোয়াড়দের নিবেদন, কৌশল এবং দক্ষতার ওপর। কিউরেটর হিসেবে তাদের দায়িত্ব কেবল একটি নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ পিচ প্রস্তুত করা, আর বাকি কাজটি করতে হয় ব্যাট-বলের লড়াইয়ে নামা ২২ জন ক্রিকেটারকে।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মারারা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ পিচের চরিত্র সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের মূল লক্ষ্য এমন একটি মানসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ পিচ তৈরি করা, যেখানে ব্যাটাররা যেমন স্ট্রোক খেলার পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন, ঠিক তেমনি বোলাররাও তাদের মেধা ও পরিশ্রমের জোরে কিছু না কিছু সুবিধা আদায় করে নিতে পারবেন। উইকেটে অতিরিক্ত কোনো জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মতো মানসিকতা বা পরিস্থিতি এই মুহূর্তে তাদের নেই বলে জানান তিনি। আধুনিক ক্রিকেটের দাবি মিটিয়ে একটি প্রকৃত প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য টেস্ট ম্যাচ উপহার দেওয়াই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে এসে পিচ কিছুটা শুষ্ক হয়ে ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেও, ম্যাচের প্রথম দিক থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত একটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন এই অভিজ্ঞ কিউরেটর। ঐতিহ্যগতভাবেই অস্ট্রেলিয়ার উইকেট মানেই পেসারদের স্বর্গরাজ্য এবং বাউন্সের পসরা—এমন একটা সাধারণ ধারণা ক্রিকেট বিশ্বে প্রচলিত থাকলেও, মারারা স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের উইকেটের চরিত্র যে ভৌগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে, সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জ্যাক পাভলিচ বলেন যে নিখুঁত বা আদর্শ অস্ট্রেলিয়ান পিচ কাকে বলে, তা নির্দিষ্ট করে বলা অত্যন্ত কঠিন। সত্যি বলতে কি, আধুনিক কিউরেটরদের কাছেও অনেক সময় উইকেটের চূড়ান্ত আচরণ বিস্ময় হয়ে দেখা দেয়। তবে ডারউইনের এই মাঠে একটি আদর্শ ও মানসম্মত ব্যাটিং উইকেট তৈরির বিষয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী, যেখান থেকে ফাস্ট বোলার কিংবা স্পিনাররা সবাই সমানভাবে লড়াই করার সুযোগ পাবে। মারারা স্টেডিয়ামের অতীত পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, অতীতে এই মাঠে মাত্র দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার একটিতে শ্রীলঙ্কা এবং অপরটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে বেশ সহজে জয় তুলে নিয়েছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ করে ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই টেস্ট ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল টাইগাররা। অতীতের সেই স্মৃতি মাথায় রেখে এবারকার ম্যাচটি কেমন হবে, তা নিয়ে যখন নানা মুনির নানা মত, তখন কিউরেটরের একটি মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব দ্রুত টেস্ট ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। যেমনটি দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ অ্যাশেজ সিরিজে, যেখানে পার্থ ও মেলবোর্ন টেস্ট মাত্র দুই দিনেই নাটকীয়ভাবে সমাপ্ত হয়ে গিয়েছিল। পিচের অতিরিক্ত সহায়তা এবং ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে টেস্ট ম্যাচ এত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল। মারারা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা কখনই চান না বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার এই টেস্ট ম্যাচটি মাত্র দুই দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাক। ক্রিকেটপ্রেমীরা পাঁচ দিন ধরেই জমজমাট লড়াই উপভোগ করুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। তবে একই সঙ্গে তিনি বাস্তবতার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে উইকেট তৈরির বাইরে ম্যাচ কত দূর গড়াবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মাঠে লড়াই করা খেলোয়াড়দের নিবেদন, কৌশল এবং দক্ষতার ওপর। কিউরেটর হিসেবে তাদের দায়িত্ব কেবল একটি নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ পিচ প্রস্তুত করা, আর বাকি কাজটি করতে হয় ব্যাট-বলের লড়াইয়ে নামা ২২ জন ক্রিকেটারকে

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত