দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস চায় ঢাকা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ বার
দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস চায় ঢাকা

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন বাস্তবতায় পুনর্বিন্যাসের দিকে এগোচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কয়েকটি শর্ত সামনে আসায় সেই প্রক্রিয়া আপাতত জটিল হয়ে পড়েছে। ঢাকার অবস্থান থেকে স্পষ্ট হচ্ছে, ভারতকে শুধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং পারস্পরিক স্বার্থ, সার্বভৌম সমতা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল। দিল্লির পক্ষ থেকেও দ্বিপক্ষীয় সফরের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে সফরের আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়। এর ফলে সম্ভাব্য সফরটি আপাতত স্থগিত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের এই অবস্থানের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবি। ঢাকার পক্ষ থেকে দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামিকে ফেরত পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের দাবিও জানানো হয়েছে। এসব বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এমন শর্ত সামনে আসায় দিল্লিতে বিস্ময় তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় উঠে এসেছে। কারণ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের আগে নির্দিষ্ট কিছু শর্তকে ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির পূর্বশর্ত হিসেবে তুলে ধরার ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। ঢাকা সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ না করে দ্বিপক্ষীয় সফরের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। এরপর ভারত দ্রুত একটি দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে আলোচনা শুরু হয়। চলতি আগস্টেই সফর আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের গণমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা চলছিল।

কিন্তু দিল্লিতে একটি প্রেস ব্রিফিংকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়। সেখানে শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ঢাকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশের দৃষ্টিতে, ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের সংবেদনশীলতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

এর কয়েক দিন পর ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর তিনি দিল্লি যান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ও উদ্বেগ তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা যায়। এরপর দিল্লির নির্দেশনা নিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন।

এই পর্যায়ে দুই দেশের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সফরের আগে ঢাকার পক্ষ থেকে ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির কথা বলায় নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়—বাংলাদেশ আসলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কোন জায়গায় পরিবর্তন চাইছে এবং সেই পরিবর্তনের সীমা কতটা।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুধু শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবিই নয়, বরং বৃহত্তর একটি সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের আকাঙ্ক্ষা সামনে আসছে। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, সার্বভৌম সমতা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপর ঢাকার জোর সেই বার্তাই বহন করছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ধারণাটিও এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব পাচ্ছে। এর অর্থ হিসেবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ঢাকা কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে চায়। ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও অর্থনৈতিক অংশীদার হলেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে একতরফা প্রভাব বা রাজনৈতিক নির্ভরতার পরিবর্তে সমতার ভিত্তিতে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে ঢাকা।

বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয় এবং দলটির বহু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অন্যতম প্রধান সংবেদনশীল ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঢাকার উদ্বেগের আরেকটি দিক হলো, শেখ হাসিনা ভারত থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন কি না এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সহযোগিতা বা সমর্থন রয়েছে কি না। ভারত অবশ্য এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সরকারের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।

এই অবিশ্বাসের প্রকাশ বিভিন্ন সরকারি বক্তব্যেও দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ঢাকার কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে স্পষ্ট সীমারেখা প্রতিষ্ঠা করা।

তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শুধু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে আটকে রাখা হলে দীর্ঘমেয়াদে উভয় দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা, সীমান্তে প্রাণহানি, বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বহু বিষয় রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত আলোচনার প্রয়োজন।

দুই দেশের সম্পর্কের বাস্তবতা হলো, ভৌগোলিক অবস্থান ও পারস্পরিক অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের কাছ থেকে পুরোপুরি দূরে সরে যেতে পারে না। সীমান্ত, নদী, বাণিজ্যপথ ও যোগাযোগব্যবস্থা দুই দেশের সম্পর্ককে স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। ফলে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার দরজা খোলা রাখা উভয় দেশের স্বার্থেই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে সরাসরি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংলাপ। কারণ আলোচনার বাইরে রেখে কোনো সম্পর্ক পুনর্গঠন সম্ভব নয়। বরং মতপার্থক্যগুলো সরাসরি তুলে ধরে কোন বিষয়ে কোথায় সমঝোতা সম্ভব, তা নির্ধারণ করাই বাস্তবসম্মত পথ।

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি অবশ্য দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে কঠিন ইস্যুগুলোর একটি হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত চাইলেও ভারত বিষয়টি পর্যালোচনায় থাকার কথা জানিয়েছে। ফলে এই ইস্যুতে দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা এখনো স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশ এটিকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে ভারত বিষয়টি আইনগত ও রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে বিবেচনা করছে।

এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হস্তান্তরের দাবি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানানো হয়েছে। ফলে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি কাটানো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিকে শুধু একটি সফর স্থগিত হওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এর মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দীর্ঘদিনের কাঠামো নিয়ে ঢাকার নতুন চিন্তাভাবনাও প্রতিফলিত হচ্ছে। আগের সম্পর্কের যে রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল, তার অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন সরকার সেই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তি পুনর্নির্ধারণ করতে চাইছে।

এ ক্ষেত্রে ঢাকার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাস্তব ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। একইভাবে দিল্লির জন্যও চ্যালেঞ্জ হলো বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতাকে স্বীকার করে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করা। দুই পক্ষ যদি একে অপরের উদ্বেগকে গুরুত্ব না দেয়, তাহলে ছোটখাটো মতপার্থক্যও বড় কূটনৈতিক সংকটে পরিণত হতে পারে।

অন্যদিকে আলোচনার পথ খোলা থাকলে একই বিষয়গুলো সমাধানের সুযোগও তৈরি হতে পারে। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত যোগাযোগ এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা পুনরায় সক্রিয় করা হলে সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘রিসেট’ বা সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের যে ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, তার মূল লক্ষ্য যদি হয় সমতা, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নতুন সম্পর্ক তৈরি করা, তাহলে সেটি বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিক কূটনৈতিক যোগাযোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভারতের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংবেদনশীলতাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজন রয়েছে।

সবশেষে বলা যায়, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। একদিকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের মতো কঠিন বিষয় রয়েছে; অন্যদিকে পানি, বাণিজ্য, সীমান্ত, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বাস্তব স্বার্থ দুই দেশকে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেই বাধ্য করে। তাই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আবেগ বা দূরত্বের চেয়ে বাস্তববাদী কূটনীতি বেশি কার্যকর হতে পারে। বাংলাদেশ যে নতুন কাঠামোয় সম্পর্ক গড়তে চাইছে, সেটি কতটা গ্রহণযোগ্যভাবে দিল্লির সঙ্গে আলোচনায় রূপ নেয় এবং ভারত কীভাবে ঢাকার উদ্বেগের জবাব দেয়—তার ওপরই আগামী দিনের বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায় অনেকাংশে নির্ভর করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত