সর্বশেষ :
২০২৬ বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন, ফুটবল টুর্নামেন্টে নতুন যুগের ইঙ্গিত সোমালি রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় ইয়ান রাইট ২০২৬ বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? মিরসরাইয়ে নিখোঁজ তিন কিশোর উদ্ধার, স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে মেলান্দহে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু চিরিরবন্দরে ৩ মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারাদণ্ড ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার, বাজার স্থিতিশীলতায় উদ্যোগ প্রশাসনিক কাজে জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মে মাসে বিজিবির অভিযানে ১৭৭ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ, সীমান্তে কড়াকড়ি জোরদার ৭৯ হাজার ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ নিয়ে নতুন বিতর্ক, যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে আলোচনা

লোভাছড়া থেকে পাথর লুট করে শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন তমিজ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৫ বার
লোভাছড়া থেকে পাথর লুট করে শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন তমিজ

২৭ আগস্ট ২০২৫|  নিজস্ব সংবাদদাতা| একটি বাংলাদেশ অনলাইন

সিলেটের কম্পানিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী নিশ্ছিদ্র এলাকা লোভাছড়ায় অবস্থিত পাথর কোয়ারিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উত্তোলন ও ব্যবসার মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন ব্যাপক সম্পদের মালিক হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি ও তাঁর ভাইদের নামে নির্মিত বিলাসবহুল বাড়িগুলো দেওয়া যায় কোটি কোটি টাকার খরচে, যেখানে বিদেশি টাইলসের ব্যবহার লক্ষণীয়। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে বাড়ির ভেতর- বাইরের দৃশ্য ঘন্টায় নজরদারি চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি এলে তিনি গোপন কক্ষে আশ্রয় নিয়ে, পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার প্রকাশ্যে ফিরে আসেন।

পাথর কোয়ারি এবং সীমান্ত সংলগ্ন এই অঞ্চলটি চুরাকারবার ও পাথর লুটের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। পাথর লুটের সুযোগে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন—এমতাবস্থায় সাংগঠনিক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। কানাইঘাট উপজেলায় বিএনপি–জামায়াতপন্থি জনপ্রতিনিধিরা তাকে অবরুদ্ধ এবং অভিযুক্ত অবস্থায় ফেলেন; যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি। এর ফলে বর্তমান সময় তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

সম্পদের পরিসরে তিনি ক্রয় করেছেন সিলেট নগরীর সুরমা মার্কেট এলাকায় একটি পাঁচ তলার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন মূল্যবান যানবাহন, পাথর উত্তোলনের জন্য ব্যবহারকৃত যানযন্ত্র ও নৌকা, বিপুল অংকের দোকান-বাড়ি, খামার এবং ব্যয়বহুল মেশিন। এসব সম্পদ তিনি ২০১৩–২০২৫ সালের মধ্যে অর্জন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
Image

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও আদালতের হস্তক্ষেপে কোয়ারি ইজারা বন্ধ হওয়ার পরেও বেশ কিছু পাথর নিলামে বিক্রি করা হয়। দুর্নীতিপূর্ণভাবে দস্তাবেজ ব্যবহারে নাড়বাড়ির জেলা প্রশাসন, বিএমডি কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিপুল আয়ের সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়। মাত্র ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর ২১ কোটি টাকায় বিক্রি হলেও, প্রকৃত বাজারমূল্য প্রাক্কলন করলে এর পরিমাণ বহু গুণ বেশি—এ তথ্য জাতীয়ভাবে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত