ইসলামী ছাত্র শিবির নারীবিদ্বেষী নয় বরং নারীর পূর্ণ মর্যাদায় বিশ্বাসী-জাহিদুল ইসলাম

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৯ বার

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে আয়োজিত ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবিরকে নারী বিদ্বেষী হিসেবে তুলে ধরা হয়, যা বাস্তবে সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি আরও বলেন, ইসলাম নারীর সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে এবং নারীর অধিকার রক্ষায় সবসময় গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই নীতি অনুসরণ করে ছাত্রশিবিরও ছাত্রীদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করে চলেছে।

জাহিদুল ইসলাম নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রশিবিরে যোগ দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে যারা সংগঠন সম্পর্কে জানার আগ্রহী, তারা শিখতে ও অনুশীলন করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টা ও অধ্যবসায়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের দিকনির্দেশনা সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, “ছাত্রশিবির তোমাকে স্বপ্ন দেখায়, লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সাহায্য করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য গাইডলাইন প্রদান করে।”

ছাত্রশিবির সভাপতি উল্লেখ করেন, সংগঠন হিন্দুসহ সকল সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ায় এবং ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, যারা দেশপ্রেমের মুখোশে দুর্নীতি, লুটপাট এবং সহিংসতা চালায়, তাদের ছাত্রশিবিরে কোনো স্থান নেই। এই সংগঠন এমন দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চায়, যারা সমাজে ন্যায্যতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। এছাড়া কলেজের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির বিকল্প নেই। ইসলামী ছাত্রশিবির এমন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে আস্থা ও ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনতে চায় এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায়।

এ ধরনের বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, ন্যায়পরায়ণতা ও দেশপ্রেমী মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, নবীন শিক্ষার্থীরা এই ধরনের কার্যক্রম থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করবে এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com