পরিবেশদূষণের অভিযোগে টায়ার কারখানায় জরিমানা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ বার
পরিবেশদূষণের অভিযোগে টায়ার কারখানায় জরিমানা
প্রকাশ: ১১ আগস্ট  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া একটি ক্ষতিকর শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবশেষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অবহেলা এবং পরিবেশদূষণের সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে বাবুগঞ্জের সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্লান্ট’ নামের একটি অবৈধ টায়ার রিসাইক্লিং কারখানায় আকস্মিক এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সোমবার বিকেলের দিকে পরিচালিত এই ঝটিকা অভিযানের নেতৃত্ব দেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সুযোগ্য সহকারী কমিশনার ভূমি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না। পরিবেশ রক্ষার্থে পরিচালিত এই সাহসী ও সময়োপযোগী অভিযানে ওই টায়ার কারখানাকে নগদ চল্লিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা জরিমানা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একটি নিয়মিত মামলাও দায়ের করা হয়েছে, যা স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে দারুণ স্বস্তি ও সন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধা নদীর অত্যন্ত সংবেদনশীল তীরবর্তী উর্বর কৃষিজমি এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার ঠিক পাশেই সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এই টায়ার রিসাইক্লিং কারখানাটি থেকে গত দীর্ঘ সময় ধরে অবাধে বিষাক্ত ও ঘন কালো ধোঁয়া, ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানো হচ্ছিল। কারখানার এই অনিয়ন্ত্রিত দূষণের বিষবাষ্পের কারণে সেখানকার চারপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও জনস্বাস্থ্য চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পতিত হয়েছিল। বিশেষ করে এলাকার শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্টের রোগীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতার শিকার হচ্ছিলেন। কারখানাটির এই পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কারখানাটি বন্ধের দাবিতে একটি লিখিত স্মারকলিপিও প্রদান করেছিলেন, কিন্তু তাতেও অবস্থার কোনো স্থায়ী সুরাহা হয়নি।
স্থানীয় জনগণের এই ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশের স্বনামধন্য পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বা বেলা গত ২৫ জুন তারিখে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি কর্তৃপক্ষ ও দপ্তরের কাছে একটি আইনি নোটিশ প্রেরণ করেছিল। ওই আইনি নোটিশে সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী পরিবেশ ধ্বংসকারী এই অবৈধ টায়ার রিসাইক্লিং কারখানাটি অবিলম্বে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কড়া দাবি জানানো হয়েছিল। পরিবেশবাদী সংগঠনের সেই জোরালো দাবির ধারাবাহিকতায় এবং স্থানীয় জনসাধারণের লাগাতার প্রতিবাদের মুখে সোমবার বিকেলে বাবুগঞ্জের সহকারী কমিশনার ভূমি কামরুন্নাহার তামান্না নিজেই সশরীরে উপস্থিত হয়ে ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্লান্ট’-এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কারখানাটির বিরুদ্ধে পরিবেশ আইন অমান্যের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চল্লিশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং এর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একটি কঠোর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
অভিযান পরিচালনা শেষে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, এলাকার পরিবেশ সুরক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিরাপদ রাখা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, যারা নিজেদের ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক লাভের উদ্দেশ্যে দেশের প্রচলিত পরিবেশগত আইন অমান্য করবে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও প্রকৃতি ধ্বংস করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। বাবুগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও পরিবেশপ্রেমীরা প্রশাসনের এই সাহসী পদক্ষেপকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো অবৈধ ও দূষণকারী কারখানার কবল থেকে চিরতরে রক্ষা পাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধা নদীর অত্যন্ত সংবেদনশীল তীরবর্তী উর্বর কৃষিজমি এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার ঠিক পাশেই সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এই টায়ার রিসাইক্লিং কারখানাটি থেকে গত দীর্ঘ সময় ধরে অবাধে বিষাক্ত ও ঘন কালো ধোঁয়া, ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানো হচ্ছিল। কারখানার এই অনিয়ন্ত্রিত দূষণের বিষবাষ্পের কারণে সেখানকার চারপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও জনস্বাস্থ্য চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পতিত হয়েছিল। বিশেষ করে এলাকার শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্টের রোগীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতার শিকার হচ্ছিলেন। কারখানাটির এই পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কারখানাটি বন্ধের দাবিতে একটি লিখিত স্মারকলিপিও প্রদান করেছিলেন, কিন্তু তাতেও অবস্থার কোনো স্থায়ী সুরাহা হয়নি।

স্থানীয় জনগণের এই ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশের স্বনামধন্য পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বা বেলা গত ২৫ জুন তারিখে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি কর্তৃপক্ষ ও দপ্তরের কাছে একটি আইনি নোটিশ প্রেরণ করেছিল। ওই আইনি নোটিশে সুগন্ধা নদীর তীরবর্তী পরিবেশ ধ্বংসকারী এই অবৈধ টায়ার রিসাইক্লিং কারখানাটি অবিলম্বে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কড়া দাবি জানানো হয়েছিল। পরিবেশবাদী সংগঠনের সেই জোরালো দাবির ধারাবাহিকতায় এবং স্থানীয় জনসাধারণের লাগাতার প্রতিবাদের মুখে সোমবার বিকেলে বাবুগঞ্জের সহকারী কমিশনার ভূমি কামরুন্নাহার তামান্না নিজেই সশরীরে উপস্থিত হয়ে ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্লান্ট’-এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় কারখানাটির বিরুদ্ধে পরিবেশ আইন অমান্যের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চল্লিশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং এর পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একটি কঠোর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

অভিযান পরিচালনা শেষে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, এলাকার পরিবেশ সুরক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিরাপদ রাখা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, যারা নিজেদের ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক লাভের উদ্দেশ্যে দেশের প্রচলিত পরিবেশগত আইন অমান্য করবে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও প্রকৃতি ধ্বংস করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। বাবুগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও পরিবেশপ্রেমীরা প্রশাসনের এই সাহসী পদক্ষেপকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো অবৈধ ও দূষণকারী কারখানার কবল থেকে চিরতরে রক্ষা পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত