ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর: ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফারহান ফারাবী
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ বার

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে এ আবেদন করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। এ বিষয়ে আদেশ পরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরিফ উদ্দিন মামলা দায়েরের আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অন্য অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, আক্তার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সার্জিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, কনক সরোয়ার, নুরনবী (অব. কর্নেল), তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।

বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত প্রাথমিকভাবে তার বক্তব্য গ্রহণ করেছেন। এখন আদালতের আদেশের পরই মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান হিসেবে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থাপনায় থাকা জাদুঘরটি দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক স্মারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

মামলার আবেদনে ওই স্মৃতি জাদুঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সঙ্গে ২৭ ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে আদালত এখনো অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। ফলে মামলার আবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলোকে এই পর্যায়ে বাদীপক্ষের অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

আদালত পরবর্তী আদেশ দেওয়ার পর মামলাটি গ্রহণ, তদন্ত কিংবা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হবে।

বিস্তারিত জানতে আরো পড়ুন>> 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত