বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত, যাত্রা শুরু ইনভেস্ট বাংলাদেশের

ফারহান ফারাবী
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগসেবা আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা হয়েছে। নতুন এই বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আরও নির্বিঘ্ন ও নির্ভরযোগ্য সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মধ্য দিয়ে বিলুপ্ত হয়েছে বিডা, বেজা ও পিপিপিএ। তিন সংস্থার সমন্বয়ে এখন থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হবে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর ধারা ১-এর উপধারা (২)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার থেকে আইনটি কার্যকর করেছে সরকার।

বিডা সূত্রে জানা গেছে, গেজেট কার্যকর হওয়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে পরিচালিত হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো, বিভিন্ন উইং ও টিম গঠনের কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

নতুন আইন অনুযায়ী, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ’ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকবে। সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শাখা কার্যালয় এবং বিদেশে লিয়াজোঁ কার্যালয় স্থাপনের সুযোগ থাকবে।

কর্তৃপক্ষ পরিচালনায় একজন চেয়ারম্যান ও সাতজন সদস্য নিয়ে একটি বোর্ড গঠন করা হবে। চেয়ারম্যান একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নতুন সংস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে দেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত ও সুযোগ চিহ্নিত করা। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রচার চালানো, বিনিয়োগের পথে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করাও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের মধ্যে থাকবে।

একীভূতকরণের ফলে বিডা, বেজা ও পিপিপিএর বিদ্যমান সম্পদ, নথিপত্র, চুক্তি, দায়-দেনা এবং অন্যান্য বিষয় নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে বিলুপ্ত তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকারের এই একীভূত উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

বিস্তারিত জানতে আরো পড়ুন>> 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত