নেশার টাকা না পেয়ে মাকে কাঁচি দিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফারহান ফারাবী
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ বার

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় সখের বানু নামে এক নারীকে ঘাস কাটার কাঁচি দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে এখলাচুর রহমানের বিরুদ্ধে। হত্যার পর মায়ের পাশের ঘরে গিয়ে শুয়ে ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা এখলাচুরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

নিহত সখের বানু ওই এলাকার জেকের আলীর স্ত্রী। স্বামীর মৃত্যুর পর গত কয়েক বছর ধরে মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ সন্তানের মধ্যে এখলাচুর রহমান সবার বড়। একসময় তিনি ইটভাটার ট্রাক্টর চালাতেন। পরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ায় কাজকর্ম ছেড়ে দেন বলে স্থানীয়রা জানান।

বৃহস্পতিবার রাতে এখলাচুর তার মায়ের কাছে নেশার জন্য টাকা চান বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে সখের বানু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর রাতের কোনো একসময় ঘাস কাটার কাঁচি দিয়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।

হত্যার পর এখলাচুর মায়ের পাশের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে আটকের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, এখলাচুর দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তার দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে মাদকাসক্ত অবস্থায় এখলাচুর তার বাবার বুকে লাথি মেরেছিলেন। এরপর তিন দিন অসুস্থ থাকার পর তার বাবা মারা যান।

ইউপি সদস্যের ভাষ্য, মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এখলাচুর তাকে হত্যা করেছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এখলাচুরকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করছে।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন >> 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত